“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? শমথ। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? বিদর্শন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? সবিতর্ক সবিচারমাত্র সমাধি। ভিক্ষুগণ, ইহাকেই বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? অবিতর্ক বিচারমাত্র সমাধি। ভিক্ষুগণ, ইহাকেই বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? অবিতর্ক অবিচার সমাধি। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? শূন্যতা সমাধি। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমার অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? অনিমিত্ত সমাধি। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? অপ্রণিহিত সমাধি। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এই শাসনে বীর্যবান, সম্প্রজ্ঞাত, স্মৃতিমান ভিক্ষু জগতে (উপাদানস্কন্ধে) অভিধ্যা (লোভ), দৌর্মনস্য (দ্বেষ) বিনোদন করে রূপ-কায়ে কায়ানুদর্শী হয়ে অবস্থান করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এই শাসনে বীর্যবান, সম্প্রজ্ঞাত, স্মৃতিমান ভিক্ষু জগতে (উপাদানস্কন্ধে) অভিধ্যা (লোভ), দৌর্মনস্য (দ্বেষ) বিনোদন করে বেদনায় বেদনানুদর্শী হয়ে অবস্থান করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এই শাসনে বীর্যবান, সম্প্রজ্ঞাত, স্মৃতিমান ভিক্ষু জগতে (উপাদানস্কন্ধে) অভিধ্যা (লোভ), দৌর্মনস্য (দ্বেষ) বিনোদন করে চিত্তে চিত্তানুদর্শী হয়ে অবস্থান করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এই শাসনে বীর্যবান, সম্প্রজ্ঞাত, স্মৃতিমান ভিক্ষু (জগতে উপাদানস্কন্ধে) অভিধ্যা (লোভ), দৌর্মনস্য (দ্বেষ) বিনোদন করে ধর্মে ধর্মানুদর্শী হয়ে অবস্থান করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এখানে ভিক্ষু অনুৎপন্ন পাপা-অকুশলধম অনুৎপত্তির নিমিত্ত ছন্দ জন্মায়, প্রচেষ্টা করে, বীর্য প্রবর্তন করে, চিত্ত নিয়োজিত করে, উপায় উদ্ভাবন করে। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এখানে ভিক্ষু উৎপন্ন পাপা-অকুশলধর্মের ক্ষয়ের নিমিত্ত ছন্দ (রুচি) জন্মায়, প্রচেষ্টা করে, বীর্য প্রয়োগ করে, চিত্ত নিয়োজিত করে, উপায় উদ্ভাবন করে। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এখানে ভিক্ষু অনুৎপন্ন কুশল ধর্মের উৎপত্তির জন্য ছন্দ (রুচি) জন্মায়, প্রচেষ্টা করে, বীর্য প্রয়োগ করে, চিত্ত নিয়োজিত করে, উপায় উদ্ভাবন করে। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এখানে ভিক্ষু উৎপন্ন কুশলধর্মের স্থিতি, সংরক্ষণ, বৃদ্ধি, বৈপুল্য, বর্ধন ও ভাবনায় পরিপূর্ণতার জন্য ছন্দ (ইচ্ছা) জন্মায়, প্রচেষ্টা করে, বীর্য প্রয়োগ করে, চিত্ত নিয়োজিত করে, উপায় উদ্ভাবন করে। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু ছন্দ-সমাধি প্রধান সংস্কারযুক্ত ঋদ্ধিপাদ ভাবনা করেন । ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বীর্য-সমাধি প্রধান সংস্কারযুক্ত ঋদ্ধিপাদ ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু চিত্ত-সমাধি প্রধান সংষ্কারযুক্ত ঋদ্ধিপাদ ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এখানে ভিক্ষু বীমাংসা (প্রজ্ঞা)-সমাধি প্রধান সংস্কারযুক্ত ঋদ্ধিপাদ ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী শ্রদ্ধা-ইন্দ্রিয় ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী বীর্য-ইন্দ্রিয় ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী স্মৃতি-ইন্দ্রিয় ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী সমাধি-ইন্দ্রিয় ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী প্রজ্ঞা-ইন্দ্রিয় ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী শ্রদ্ধাবল ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী বীর্যবল ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী স্মৃতিবল ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী সমাধিবল ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী প্রজ্ঞাবল ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী স্মৃতি সম্বোধ্যঙ্গ ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী ধর্মবিচয় সম্বোধ্যঙ্গ ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত বিসর্জন-পরিণামী বীর্য-সম্বোধ্যঙ্গ ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী প্রীতি-সম্বোধ্যঙ্গ ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী প্রশ্রদ্ধি (প্রশান্তি)-সম্বোধ্যঙ্গ ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী সমাধি-সম্বোধ্যঙ্গ ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন পরিণামী উপেক্ষা-সম্বোধ্যঙ্গ ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী সম্যক-দৃষ্টি ভাবনা করন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী সম্যক-সংকল্প ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী সম্যক-বাক্য ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী সম্যক-কর্ম ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী সম্যক-আজীব ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী সম্যক-ব্যায়াম (প্রচেষ্টা) ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী সম্যক-স্মৃতি ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদেরকে অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ সম্পর্কে দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃত কী? ভিক্ষুগণ, যা রাগক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়; তাকেই বলা হয় অসংস্কৃত।”
“ভিক্ষুগণ, অসংস্কৃতগামী মার্গ কী? ভিক্ষুগণ, এখানে ভিক্ষু বিবেক-আশ্রিত, বিরাগ-আশ্রিত, নিরোধ-আশ্রিত, বিসর্জন-পরিণামী সম্যক-সমাধি ভাবনা করেন। ভিক্ষুগণ, ইহাকে বলা হয় অসংস্কৃতগামী মার্গ।”
“ভিক্ষুগণ, আমাকর্তৃক তোমাদের নিকট এই অসংস্কৃত ও অসংস্কৃতগামী মার্গ দেশিত হলো। ভিক্ষুগণ, শাস্তার পক্ষে, শিষ্যগণের হিতৈষী অনুকম্পাকারী শিক্ষকের পক্ষে অনুকম্পাপূর্বক শিষ্যগণের প্রতি যা কর্তব্য তা আমি তোমাদের প্রতি করেছি। ভিক্ষুগণ, তোমরা বৃক্ষমূলে, শূন্যাগারে, বিজনপ্রান্তে শয়নাসন গ্রহণ করে ধ্যান কর। প্রমাদের বশবর্তী হয়ে পরে অনুতপ্ত হইও না; তোমাদের প্রতি ইহাই আমাদের অনুশাসন।”
প্রথম সূত্র সমাপ্ত।
ব্যাখ্যা [১]
English