লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

নন্দিয় সূত্র

শ্রাবস্তী নিদান। অতঃপর নন্দিয় পরিব্রাজক ভগবানের নিকট উপস্থিত হয়ে ভগবানের সাথে কুশলাকুশল বিনিময় করলেন। কুশলাকুশল বিনিময়ের পর প্রীতিপূর্ণ আলাপান্তে একপাশে বসলেন। একপাশে উপবিষ্ট নন্দিয় পরিব্রাজক ভগবানকে এরূপ বললেন :

“হে মাননীয় গৌতম, কয়টি ধর্ম ভাবিত ও বহলীকৃত হলে তা নির্বাণে নিয়ে যায়, নির্বাণপরায়ণ হয় ও নির্বাণেই তা পরিসমাপ্ত হয়?

“হে নন্দিয়, এই অষ্টবিধ ধর্ম ভাবিত ও বহুলীকৃত হলে তা নির্বাণে নিয়ে যায়, নির্বাণপরায়ণ হয় ও নির্বাণেই তা পরিসমাপ্ত হয়। সেই অষ্টবিধ কী কী? যথা : সম্যক দৃষ্টি, সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক জীবিকা, সম্যক প্রচেষ্টা, সম্যক স্মৃতি ও সম্যক সমাধি। নন্দিয়, এই অষ্টবিধ ধর্ম ভাবিত ও বহুলীকৃত হলে তা নির্বাণে নিয়ে যায়, নির্বাণপরায়ণ হয় ও নির্বাণেই তা পরিসমাপ্ত হয়।”

এরূপ উক্ত হলে নন্দিয় পরিব্রাজক ভগবানকে এরূপ বললেন, “মাননীয় গৌতম, কী আশ্চর্য! কী অদ্ভুত! মাননীয় গৌতম, যেমন, কেউ অধোমুখী পাত্রকে ঊর্ধ্বমুখী করে, আবৃতকে অনাবৃত করে, পথভ্রষ্টকে পথ বলে দেয় এবং অন্ধকারে তৈলপ্রদীপ ধারণ করে যাতে চক্ষুষ্মান ব্যক্তি রূপাদি দেখতে পায়; ঠিক সেরূপেই মাননীয় গৌতমের দ্বারা অনেক পর্যায়ে ধর্ম প্রকাশিত হলো। এখন হতে আমি মাননীয় গৌতমের শরণ গ্রহণ করছি, ধর্ম এবং ভিক্ষুসংঘের শরণও গ্রহণ করছি। হে প্রভু গৌতম, আজ হতে আমাকে আপনার আমরণ শরণাগত উপাসকরূপে ধারণ করুন।” দশম সূত্র।

অবিদ্যা বর্গ সমাপ্ত।

তস্সুদ্দানং/সূত্রসূচি

অবিদ্যা, অর্ধ, সারিপুত্র আর ব্রাহ্মণ সূত্র;
কী অর্থে, দুই ভিক্ষু, বিভঙ্গ, শূক ও নন্দিয় সূত্র উক্ত॥

ব্যাখ্যা [১]