লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৮]

ঊর্ধ্বভাগীয় সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, পাঁচ প্রকার ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন রয়েছে। সেই পাঁচ প্রকার কী কী? যথা : রূপরাগ, অরূপরাগ, মান, ঔদ্ধত্য ও অবিদ্যা। ইহাই হচ্ছে পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন। ভিক্ষুগণ, এই পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন অভিজ্ঞাত ও পরিজ্ঞাত হওয়ার জন্য এবং পরিক্ষয় ও প্রহানের জন্য আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুশীলন করা উচিত। সেই আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ কী কী? এক্ষেত্রে ভিক্ষু বিবেক-নিশ্রিত, বিরাগ-নিশ্রিত, নিরোধ-নিশ্রিত ও বিসর্জন-পরিণামী সম্যক দৃষ্টি ভাবিত করে। একইভাবে ভিক্ষু বিবেক-নিশ্রিত, বিরাগ-নিশ্রিত, নিরোধ-নিশ্রিত ও বিসর্জন-পরিণামী সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক জীবিকা, সম্যক প্রচেষ্টা, সম্যক স্মৃতি ও সম্যক সমাধি ভাবিত করে। ভিক্ষুগণ, এই পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন অভিজ্ঞাত ও পরিজ্ঞাত হওয়ার জন্য এবং পরিক্ষয় ও প্রহানের জন্য আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুশীলন করা উচিত।

ভিক্ষুগণ, এই পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন রয়েছে। সেই পঞ্চ কী কী? যথা : রূপরাগ, অরূপরাগ, মান, ঔদ্ধত্য ও অবিদ্যা। ইহাই হচ্ছে পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন। ভিক্ষুগণ, এই পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন অভিজ্ঞাত ও পরিজ্ঞাত হওয়ার জন্য এবং পরিক্ষয় ও প্রহানের জন্য আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুশীলন করা উচিত। সেই আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ কী কী? এক্ষেত্রে ভিক্ষু রাগবিনয় (রাগক্ষয়), দোষবিনয় ও মোহবিনয় পর্যাবসান করে সম্যক দৃষ্টি ভাবিত করে। একইভাবে ভিক্ষু রাগবিনয়, দোষবিনয় ও মোহবিনয় পর্যাবসান করে সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক জীবিকা, সম্যক প্রচেষ্টা, সম্যক স্মৃতি ও সম্যক সমাধি ভাবিত করে। ভিক্ষুগণ, এই পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন অভিজ্ঞাত ও পরিজ্ঞাত হওয়ার জন্য এবং পরিক্ষয় ও প্রহানের জন্য আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুশীলন করা উচিত।

ভিক্ষুগণ, এই পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন রয়েছে। সেই পঞ্চ কী কী? যথা : রূপরাগ, অরূপরাগ, মান, ঔদ্ধত্য ও অবিদ্যা। ইহাই হচ্ছে পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন। ভিক্ষুগণ, এই পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন অভিজ্ঞাত ও পরিজ্ঞাত হওয়ার জন্য এবং পরিক্ষয় ও প্রহানের জন্য আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুশীলন করা উচিত। সেই আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ কী কী? এক্ষেত্রে ভিক্ষু অমৃতোগধ (অমৃতে বা নির্বাণে নিমজ্জিত), অমৃতপরায়ণ ও অমৃত পর্যাবসানরূপ (অমৃত প্রান্তভাগ বা সীমা) সম্যক দৃষ্টি ভাবিত করে। একইভাবে ভিক্ষু অমৃতোগধ, অমৃতপরায়ণ ও অমৃত পর্যাবসানরূপ সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক জীবিকা, সম্যক প্রচেষ্টা, সম্যক স্মৃতি ও সম্যক সমাধি ভাবিত করে। ভিক্ষুগণ, এই পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন অভিজ্ঞাত ও পরিজ্ঞাত হওয়ার জন্য এবং পরিক্ষয় ও প্রহানের জন্য আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুশীলন করা উচিত।

ভিক্ষুগণ, এই পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন রয়েছে। সেই পঞ্চ কী কী? যথা : রূপরাগ, অরূপরাগ, মান, ঔদ্ধত্য ও অবিদ্যা। ইহাই হচ্ছে পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন। ভিক্ষুগণ, এই পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন অভিজ্ঞাত ও পরিজ্ঞাত হওয়ার জন্য এবং পরিক্ষয় ও প্রহানের জন্য আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুশীলন করা উচিত। সেই আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ কী কী? এক্ষেত্রে ভিক্ষু নির্বাণগামী, নির্বাণাভিমুখী ও নির্বাণের দিকে ক্রমোন্নত সম্যক দৃষ্টি ভাবিত করে। একইভাবে ভিক্ষু নির্বাণগামী, নির্বাণাভিমুখী ও নির্বাণের দিকে ক্রমোন্নত সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক জীবিকা, সম্যক প্রচেষ্টা, সম্যক স্মৃতি ও সম্যক সমাধি ভাবিত করে। ভিক্ষুগণ, এই পঞ্চবিধ ঊর্ধ্বভাগীয় সংযোজন অভিজ্ঞাত ও পরিজ্ঞাত হওয়ার জন্য এবং পরিক্ষয় ও প্রহানের জন্য আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুশীলন করা উচিত।” দশম সূত্র।

ওঘ বর্গ সমাপ্ত।

তস্সুদ্দানং/সূত্রসূচি

ওঘ সূত্র, যোগ, উপাদান, গ্রন্থি আর অনুশয় সূত্র;
কামগুণ, নীবরণ, স্কন্ধ ও অধো-ঊর্ধ্বভাগীয় সূত্রে বর্গ উক্ত॥

বর্গের সূচি :

প্রথম হলো অবিদ্যাবর্গ, দ্বিতীয় বর্গের নাম বিহার;
মিথ্যা হলো তৃতীয় বর্গ, চতুর্থ বর্গ প্রতিপত্তি; আর॥
তীর্থিয় পঞ্চম বর্গ ও ষষ্ঠে উক্ত সূর্য বর্গ;
বহুকৃত সপ্তম বর্গ, অষ্টম উৎপাদ বর্গ॥
দিবস বর্গ নবম, অপ্রমাদ বর্গ দশমে,
একাদশ বল বর্গ, আকাঙ্ক্ষা বর্গ দ্বাদশে;
তেরতম বর্গ উক্ত হয় ওঘ নামে॥

মার্গ সংযুক্ত সমাপ্ত।

ব্যাখ্যা [০]