লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

তৃতীয় কুক্কুটারাম সূত্র

পাটলিপুত্র নিদান। “হে আবুসো, আনন্দ, এই যে, ‘ব্রহ্মচর্য, ব্রহ্মচর্য’ বলা হয়। সেই ব্রহ্মচর্য কত প্রকার, ব্রহ্মচারী কাকে বলে এবং ব্রহ্মচর্যের পর্যাবসানই বা কীরূপ?” “সাধু, আবুসো ভদ্র, সাধু। আবুসো ভদ্র, আপনি অত্যন্ত বিচক্ষণপূর্ণ, প্রত্যুৎপন্নমতিসম্পন্ন ও কল্যাণপ্রদ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছেন। আপনি এরূপ জিজ্ঞাসা করেছেন যে, ‘আবুসো, আনন্দ, এই যে, ‘ব্রহ্মচর্য, ব্রহ্মচর্য’ বলা হয়। সেই ব্রহ্মচর্য কত প্রকার, ব্রহ্মচারী কাকে বলে এবং ব্রহ্মচর্যের পর্যাবসানই বা কীরূপ?” “হ্যাঁ আবুসো, আমি এরূপই জিজ্ঞাসা করেছি।”

“হে আবুসো, এই আট প্রকার সম্যক মার্গই হচ্ছে ব্রহ্মচর্য। যথা : সম্যক দৃষ্টি, সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক জীবিকা, সম্যক প্রচেষ্টা, সম্যক স্মৃতি ও সম্যক সমাধি। এই আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গে সমন্নাগত ব্যক্তিকেই ব্রহ্মচারী বলা হয়। আর আবুসো, লোভক্ষয়, দ্বেষক্ষয় ও মোহক্ষয়ই হচ্ছে ব্রহ্মচর্যের প্রকৃত পর্যাবসান।” দশম সূত্র।

(এই বর্গে শেষোক্ত তিনটি সূত্রের নিদান একই)

বিহার বর্গ সমাপ্ত।

তস্সুদ্দানং/সূত্রসূচি

দুই বিহার, শৈক্ষ্য আর অপর উৎপত্তি সূত্রদ্বয়;
কথিত, দুই পরিশুদ্ধ ও কুক্কুটারাম সূত্র ত্রয়॥

ব্যাখ্যা [০]