লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

উত্তিয় সূত্র

শ্রাবস্তী নিদান। অতঃপর আয়ুষ্মান উত্তিয় ভগবানের নিকট উপস্থিত হয়ে ভগবানকে অভিবাদন করে একপাশে বসলেন। একপাশে উপবিষ্ট আয়ুষ্মান উত্তিয় ভগবানকে এরূপ বলতে লাগলেন :

“ভন্তে, নির্জনে একাকী ধ্যান-সাধনায় নিমগ্ন থাকার সময় আমার মনে এরূপ পরিবিতর্ক উৎপন্ন হয়েছিল যে, ‘ভগবান কর্তৃক পঞ্চকামগুণ উক্ত হয়েছে। ভগবান কর্তৃক সেই পঞ্চকামগুণ কীরূপে উক্ত হয়েছে?’”

“সাধু উত্তিয়, সাধু। হে উত্তিয়, মৎ কর্তৃক এই পঞ্চবিধ কামগুণ উক্ত হয়েছে। সেই পঞ্চ কী কী? যথা : ইষ্ট, কান্ত, মনোজ্ঞ, প্রিয়রূপ, কামোদ্দীপক ও প্রলোভনকারী চক্ষু বিজ্ঞেয় রূপ আছে; একইভাবে ইষ্ট, কান্ত, মনোজ্ঞ, প্রিয়রূপ, কামোদ্দীপক ও প্রলোভনকারী শ্রোত্রবিজ্ঞেয় শব্দ, ঘ্রাণবিজ্ঞেয় গন্ধ, জিহ্বাবিজ্ঞেয় রস এবং কায়বিজ্ঞেয় স্পর্শ বিদ্যমান। উত্তিয়, এই পঞ্চ কামগুণই মৎকর্তৃক উক্ত হয়েছে।

উত্তিয়, এই পঞ্চকামগুণসমূহ প্রহানের জন্য আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুশীলন করা উচিত। সেই আর্য অষ্টাঙ্গি মার্গ কী কী? যথা : সম্যক দৃষ্টি, সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক জীবিকা, সম্যক প্রচেষ্টা, সম্যক স্মৃতি ও সম্যক সমাধি। উত্তিয়, এই পঞ্চ কামগুণসমূহ প্রহানের জন্য এই আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গই অনুশীলন করা উচিত।” দশম সূত্র।

মিথ্যা বিষয় বর্গ সমাপ্ত।

তস্সুদ্দানং/সূত্রসূচি

মিথ্যা, অকুশলধর্ম আর প্রতিপদা দ্বয় সূত্র;
দ্বে অসৎপুরুষ, কুম্ভ, সমাধি, বেদনাসহ উত্তিয় হলো উক্ত॥

ব্যাখ্যা [১]