লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

একধর্ম সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, সপ্ত বোজ্ঝাঙ্গ ব্যতীত আমি অন্য একটি ধর্মও দেখতে পাচ্ছি না, যা এরূপে ভাবিত ও বহুলীকৃত হলে সংযোজনীয় ধর্মসমূহ প্রহানের জন্য সংবর্তিত হয়। সেই সপ্ত কী কী? যথা : স্মৃতি-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, ধর্মবিচয়-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, বীর্য-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, প্রীতি-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, প্রশ্রদ্ধি (প্রশান্তি)-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, সমাধি-সম্বোজ্ঝাঙ্গ ও উপেক্ষা-সম্বোজ্ঝাঙ্গ। কীরূপে সপ্ত বোজ্ঝাঙ্গ ভাবিত ও বহুলীকৃত হলে তা সংযোজনীয় ধর্মসমূহ প্রহানের জন্য সংবর্তিত হয়?

ভিক্ষুগণ, এক্ষেত্রে ভিক্ষু বিবেক-নিশ্রিত, বিরাগ-নিশ্রিত, নিরোধ-নিশ্রিত ও বিসর্জন-পরিণামী স্মৃতি-সম্বোজ্ঝাঙ্গ ভাবিত করে। অনুরূপভাবে ভিক্ষু বিবেক-নিশ্রিত, বিরাগ-নিশ্রিত, নিরোধ-নিশ্রিত ও বিসর্জন-পরিণামী ধর্মবিচয়-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, বীর্য-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, প্রীতি-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, প্রশ্রদ্ধি (প্রশান্তি)-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, সমাধি-সম্বোজ্ঝাঙ্গ এবং উপেক্ষা-সম্বোজ্ঝাঙ্গ ভাবিত করে। ভিক্ষুগণ, এরূপেই সপ্ত বোজ্ঝাঙ্গ ভাবিত ও বহুলীকৃত হলে তা সংযোজনীয় ধর্মসমূহ প্রহানের জন্য সংবর্তিত হয়।

হে ভিক্ষুগণ, সংযোজনীয় ধর্ম কি? চক্ষুই হচ্ছে সংযোজনীয় ধর্ম। এতে সংযোজনাবদ্ধ আসক্তি উৎপন্ন হয়। অনুরূপভাবে কর্ণ, নাসিকা, জিহ্বা, কায় ও মনই হচ্ছে সংযোজনীয় ধর্ম। এতে সংযোজনাবদ্ধ আসক্তি উৎপন্ন হয়। এগুলোকেই সংযোজনীয় ধর্ম বলা হয়।” নবম সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]