লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

উপক্লেশ সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, স্বর্ণের এই পঞ্চ খাদ (ভেজাল) রয়েছে। যেই খাদের দ্বারা প্রদুষ্ট স্বর্ণ নমনীয় হয় না, কর্মন্য (কাজের যোগ্য) হয় না, উজ্জল হয় না, ভঙ্গুর হয় ও উত্তম কাজের জন্য ব্যবহারযোগ্য হয় না। সেই পঞ্চ কী কী? লোহা, তামা, টিন, সীসা ও রূপাই হচ্ছে স্বর্ণের খাদ। এই খাদের দ্বারা প্রদুষ্ট স্বর্ণ নমনীয় হয় না, কাজের যোগ্য হয় না, উজ্জল হয় না, ভঙ্গুর হয় ও উত্তম কাজের জন্য ব্যবহারযোগ্য হয় না। ভিক্ষুগণ, এগুলোই হচ্ছে স্বর্ণের পঞ্চ খাদ। এই খাদের দ্বারা প্রদুষ্ট স্বর্ণ নমনীয় হয় না, কর্মন্য হয় না, উজ্জ্বল হয় না, ভঙ্গুর হয় এবং উত্তম কাজের জন্য ব্যবহারযোগ্য হয় না।

ঠিক এরূপেই ভিক্ষুগণ, চিত্তেরও পঞ্চ উপক্লেশ বিদ্যমান আছে। যেই উপক্লেশের দ্বারা উপক্লিষ্ট চিত্ত মৃদু হয় না, কর্মন্য (কাজের যোগ্য) হয় না, প্রভাস্বর হয় না, ভঙ্গুর হয় ও আসবক্ষয়ের জন্য সম্যকরূপে সমাধিস্থহয় না। সেই পঞ্চ কী কী? কামচ্ছন্দই হচ্ছে চিত্তের উপক্লেশ। যেই উপক্লেশের দ্বারা উপক্লিষ্ট চিত্ত মৃদু হয় না, কর্মন্য হয় না, প্রভাস্বর হয় না, ভঙ্গুর হয় ও আসবক্ষয়ের জন্য সম্যকরূপে সমাধিস্থহয় না। অনুরূপভাবে ব্যাপাদ, স্ত্যানমিদ্ধ (আলস্য-তন্দ্রা), ঔদ্ধত্য-কৌকৃত্য (অনুশোচনা) ও বিচিকিৎসাই হচ্ছে চিত্তের উপক্লেশ। যেই উপক্লেশের দ্বারা উপক্লিষ্ট চিত্ত মৃদু হয় না, কর্মন্য হয় না, প্রভাস্বর হয় না, ভঙ্গুর হয় ও আসবক্ষয়ের জন্য সম্যকরূপে সমাধিস্থহয় না। ভিক্ষুগণ, এগুলোই হচ্ছে চিত্তের পঞ্চ উপক্লেশ। যেই উপক্লেশের দ্বারা উপক্লিষ্ট চিত্ত মৃদু হয় না, কর্মন্য হয় না, প্রভাস্বর হয় না, ভঙ্গুর হয় ও আসবক্ষয়ের জন্য সম্যকরূপে সমাধিস্থহয় না।” তৃতীয় সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]