লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

বিভঙ্গ সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদের স্মৃতিপ্রস্থান, স্মৃতিপ্রস্থান ভাবনা ও স্মৃতিপ্রস্থান ভাবনার প্রণালি সম্পর্কে দেশনা করব। তা তোমরা শ্রবণ কর। ভিক্ষুগণ, স্মৃতিপ্রস্থান কীরূপ? এক্ষেত্রে ভিক্ষু বীর্যবান, সম্প্রজ্ঞানী ও স্মৃতিমান হয়ে এবং জগতে অভিধ্যা ও দৌর্মনস্য অপনোদন করে কায়ে কায়ানুদর্শী হয়ে অবস্থান করে। অনুরূপভাবে ভিক্ষু বীর্যবান, সম্প্রজ্ঞানী ও স্মৃতিমান হয়ে এবং জগতে অভিধ্যা ও দৌর্মনস্য অপনোদন করে বেদনায় বেদনানুদর্শী, চিত্তে চিত্তানুদর্শী ও ধর্মে (মনোগোচর বিষয়ে) ধর্মানুদর্শী হয়ে অবস্থান করে। ইহাকেই স্মৃতিপ্রস্থান বলে।

ভিক্ষুগণ, স্মৃতিপ্রস্থান ভাবনা কীরূপ? এক্ষেত্রে ভিক্ষু বীর্যবান, সম্প্রজ্ঞানী ও স্মৃতিমান হয়ে এবং জগতে অভিধ্যা ও দৌর্মনস্য অপনোদন করে দেহের সমুদয়-স্বভাব নিরীক্ষণ করে অবস্থান করে, বিনাশ-স্বভাব ও সমুদয়-বিনাশ-স্বভাব নিরীক্ষণ করে অবস্থান করে। অনুরূপভাবে ভিক্ষু বীর্যবান, সম্প্রজ্ঞানী ও স্মৃতিমান হয়ে এবং জগতে অভিধ্যা ও দৌর্মনস্য অপনোদন করে বেদনার সমুদয়-স্বভাব, বিনাশ-স্বভাব, সমুদয়-বিনাশ-স্বভাব; চিত্তের সমুদয়-স্বভাব, বিনাশ-স্বভাব, সমুদয়-বিনাশ-স্বভাব এবং ধর্মের (মনোগোচর বিষয়ের) সমুদয়-স্বভাব, বিনাশ-স্বভাব ও সমুদয়-বিনাশ-স্বভাব নিরীক্ষণ করে অবস্থান করে। ইহাকেই স্মৃতিপ্রস্থান ভাবনা বলে।

ভিক্ষুগণ, স্মৃতিপ্রস্থান ভাবনার প্রণালি কীরূপ? তা হচ্ছে সম্যক দৃষ্টি, সম্যক সঙ্কল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক আজীব, সম্যক প্রচেষ্টা, সম্যক স্মৃতি ও সম্যক সমাধিই হচ্ছে আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ। ভিক্ষুগণ, ইহাকেই স্মৃতিপ্রস্থান ভাবনা প্রণালি বলে।” দশম সূত্র।

অশ্রুত বর্গ সমাপ্ত।

তস্সুদ্দানং/সূত্রসূচি

অশ্রুত, বিরাগ, অক্ষম, ভাবিত ও স্মৃতি;
পূর্ণজ্ঞান, ছন্দ, পরিজ্ঞাত, ভাবনা, বিভঙ্গে বর্গ ইতি॥

ব্যাখ্যা [১]