লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৮]

অকুশলরাশি সূত্র

শ্রাবস্তী নিদান। তথায় ভগবান এরূপ বললেন, “হে ভিক্ষুগণ, পঞ্চ নীবরণের প্রতি মন্তব্য করার সময় একজন যথার্থই বলে যে, ‘ইহা অকুশল রাশি’। কেবল, ভিক্ষুগণ, সম্পূর্ণ অকুশলরাশিই হচ্ছে এই পঞ্চ নীবরণ। সেই পাঁচ প্রকার কী কী? কামচ্ছন্দ-নীবরণ, ব্যাপাদ-নীবরণ, স্ত্যানমিদ্ধ (আলস্য-তন্দ্রা)-নীবরণ, ঔদ্ধত্য-কৌকৃত্য (চঞ্চলতা-অনুশোচনা)-নীবরণ ও বিচিকিৎসা (সন্দেহ)-নীবরণ। এই পঞ্চ নীবরণের প্রতি মন্তব্য করার সময় একজন যথার্থই বলে যে, ‘ইহা অকুশল রাশি’। কেবল, ভিক্ষুগণ, সম্পূর্ণ অকুশলরাশিই হচ্ছে এই পঞ্চ নীবরণ।”

“হে ভিক্ষুগণ, চারি স্মৃতিপ্রস্থানের প্রতি মন্তব্য করার সময় একজন যথার্থই বলে যে, ‘ইহা কুশলরাশি’। কেবল, ভিক্ষুগণ, সম্পূর্ণ কুশলরাশিই হচ্ছে এই চারি স্মৃতিপ্রস্থান। সেই চারি প্রকার কী কী? ভিক্ষুগণ, এক্ষেত্রে ভিক্ষু বীর্যবান, সম্প্রজ্ঞানী ও স্মৃতিমান হয়ে এবং জগতে অভিধ্যা ও দৌর্মনস্য অপনোদন করে কায়ে কায়ানুদর্শী হয়ে অবস্থান করে। অনুরূপভাবে ভিক্ষু বীর্যবান, সম্প্রজ্ঞানী ও স্মৃতিমান হয়ে এবং জগতে অভিধ্যা ও দৌর্মনস্য অপনোদন করে বেদনায় বেদনানুদর্শী, চিত্তে চিত্তানুদর্শী ও ধর্মে (মনোগোচর বিষয়ে) ধর্মানুদর্শী হয়ে অবস্থান করে। এই চারি স্মৃতিপ্রস্থানের প্রতি মন্তব্য করার সময় একজন যথার্থই বলে যে, ‘ইহা কুশল রাশি’। কেবল, ভিক্ষুগণ, সম্পূর্ণ কুশলরাশিই হচ্ছে এই চারি স্মৃতিপ্রস্থান।” পঞ্চম সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]