লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

পুনঃজন্ম সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, পাঁচ প্রকার ইন্দ্রিয় আছে। সেই পাঁচ প্রকার কী কী? শ্রদ্ধা-ইন্দ্রিয়, বীর্য-ইন্দ্রিয়, স্মৃতি-ইন্দ্রিয়, সমাধি-ইন্দ্রিয় ও প্রজ্ঞা-ইন্দ্রিয়। ভিক্ষুগণ, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি এই পঞ্চেন্দ্রিয়ের সমুদয় (উৎপত্তি), বিলয়, আস্বাদ, আদীনব ও নিঃসরণ যথার্থরূপে জানতে সক্ষম হইনি, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি সদেবলোকে, সমারলোকে, সব্রহ্মলোকে, সশ্রমণ-ব্রাহ্মণকুলে এমনকি সদেব-মনুষ্যলোকের মধ্যে কোথাও ‘অনুত্তর সম্যক সম্বোধি ও অভিসম্বুদ্ধত্ব’ লাভ করতে সক্ষম হইনি। অধিকন্তু ভিক্ষুগণ, যখন আমি এই পঞ্চেন্দ্রিয়ের সমুদয়, বিলয়, আস্বাদ, আদীনব ও নিঃসরণ যথার্থরূপে জানতে সক্ষম হয়েছি, তখন আমি সদেবলোকে, সমারলোকে, সব্রহ্মলোকে, সশ্রমণ-ব্রাহ্মণকুলে এমনকি সদেব-মনুষ্যলোকের মধ্যেই ‘অনুত্তর সম্যক সম্বোধি ও অভিসম্বুদ্ধত্ব’ লাভ করতে সক্ষম হয়েছি। তখন আমার এরূপ জ্ঞান ও দর্শন উৎপন্ন হয়েছিল, ‘আমার বিমুক্তি অকম্পিত, ইহাই আমার অন্তিম জন্ম, আমার আর পুনর্জন্ম হবে না।’” প্রথম সূত্র।

ব্যাখ্যা [০]