লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

প্রথম পূর্বারাম সূত্র

আমি এরূপ শুনেছি। একসময় ভগবান শ্রাবস্তীর পূর্বারামে মিগারমাতা প্রাসাদে অবস্থান করছিলেন। তথায় ভগবান ভিক্ষুগণকে আহ্বান করে বললেন :

“হে ভিক্ষুগণ, কয়টি ইন্দ্রিয়ে ভাবিতাত্ম ও বহুলীকৃতাত্ম ক্ষীণাসব ভিক্ষু নিজ অর্হত্ত্বফল সম্পর্কে এরূপে প্রকাশ করে যে, ‘আমার জন্ম ক্ষীণ হয়েছে, ব্রহ্মচর্য উদ্‌যাপিত হয়েছে, করণীয় কৃত হয়েছে এবং এ জীবনে দুঃখমুক্তির জন্য আর অন্য কোনো কর্তব্য নেই তা সম্যকরূপে অবগত আছি?’”

“ভন্তে, ভগবান হচ্ছেন আমাদের মূল, ধর্ম-উপদেষ্টা ও প্রতিশরণ। ভন্তে, তা উত্তম হয়, যদি ভগবান এই ভাষিত বিষয়ের অর্থ প্রতিভাত করেন। ভগবান হতে শ্রবণ করে ভিক্ষুগণ তা ধারণ করবেন।”

ভিক্ষুগণ, একটিমাত্র ইন্দ্রিয়ে ভাবিতাত্ম ও বহুলীকৃতাত্ম ক্ষীণাসব ভিক্ষু নিজ অর্হত্ত্বফল সম্পর্কে এরূপে প্রকাশ করে যে, ‘আমার জন্ম ক্ষীণ হয়েছে, ব্রহ্মচর্য উদ্‌যাপিত হয়েছে, করণীয় কৃত হয়েছে এবং এ জীবনে দুঃখমুক্তির জন্য আর অন্য কোনো কর্তব্য নেই তা সম্যকরূপে অবগত আছি’। সেই এক প্রকার ইন্দ্রিয় কী? ভিক্ষুগণ, প্রজ্ঞা-ইন্দ্রিয়সম্পন্ন ও প্রজ্ঞাবান আর্যশ্রাবকের নিকট তদনুযায়ী (প্রজ্ঞা অনুযায়ী) শ্রদ্ধা থাকে, তদনুযায়ী বীর্য, স্মৃতি ও সমাধি বিদ্যমান থাকে। এই একটিমাত্র ইন্দ্রিয়ে ভাবিতাত্ম ও বহুলীকৃতাত্ম ক্ষীণাসব ভিক্ষু নিজ অর্হত্ত্বফল সম্পর্কে এরূপে প্রকাশ করে যে, ‘আমার জন্ম ক্ষীণ হয়েছে, ব্রহ্মচর্য উদ্‌যাপিত হয়েছে, করণীয় কৃত হয়েছে এবং এ জীবনে দুঃখমুক্তির জন্য আর অন্য কোনো কর্তব্য নেই তা সম্যকরূপে অবগত আছি।’” পঞ্চম সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]