লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

প্রথম অর্হত্ত্ব সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, পাঁচ প্রকার ইন্দ্রিয় আছে। সেই পাঁচ প্রকার কী কী? শ্রদ্ধা-ইন্দ্রিয়, বীর্য-ইন্দ্রিয়, স্মৃতি-ইন্দ্রিয়, সমাধি-ইন্দ্রিয় ও প্রজ্ঞা-ইন্দ্রিয়। যখন হতে আর্যশ্রাবক এই পঞ্চেন্দ্রিয়ের আস্বাদ, আদীনব ও নিঃসরণ সম্বন্ধে যথার্থরূপে জ্ঞাত হয়ে অনুপাদা-বিমুক্ত হয়; ভিক্ষুগণ, তখন তাকে বলা হয়-‘অর্হৎ ভিক্ষু, ক্ষীণাসব, উদ্‌যাপিত জীবন, করণীয় কৃত, ভারমুক্ত, সদর্থপ্রাপ্ত, ভবসংযোজন পরিক্ষীণ এবং সম্যকরূপে বিমুক্ত।’” চতুর্থ সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]