লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৫]

দ্বিতীয় ফল সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, পাঁচ প্রকার ইন্দ্রিয় আছে। সেই পাঁচ প্রকার কী কী? শ্রদ্ধা-ইন্দ্রিয়, বীর্য-ইন্দ্রিয়, স্মৃতি-ইন্দ্রিয়, সমাধি-ইন্দ্রিয় ও প্রজ্ঞা-ইন্দ্রিয়। এগুলোই হচ্ছে পঞ্চবিধ ইন্দ্রিয়। ভিক্ষুগণ, এই পঞ্চেন্দ্রিয় ভাবিত ও বহুলীকৃত হলে সপ্তফল ও সপ্ত আনিশংস (সুফল) প্রত্যাশিত হয়। সেই সপ্তফল ও সপ্ত আনিশংস কী কী? কেউ কেউ ইহজীবনেই অর্হত্ত্বফল লাভ করে। কেউ কেউ ইহজীবনে অর্হত্ত্বফল লাভ করতে না পারলে মৃত্যুকালে হলেও অর্হত্ত্বফল লাভ করে। আর যদি ইহজীবনে এবং মরণকালেও অর্হত্ত্বফল লাভ করতে না পারে তবে পঞ্চবিধ অধোভাগীয় সংযোজন পরিক্ষয় করে অন্তরা-পরিনির্বাণলাভী হয়। উপহচ্চ-পরিনির্বাণলাভী, অসংস্কার-পরিনির্বাণলাভী ও সসংস্কার পরিনির্বাণলাভী হয় এবং ঊর্ধ্বস্রোতা-অকনিষ্ঠগামী হয়। ভিক্ষুগণ, এই পঞ্চেন্দ্রিয় ভাবিত ও বহুলীকৃত হলে এই সপ্তফল ও সপ্ত আনিশংস প্রত্যাশিত হয়।” ষষ্ঠ সূত্র।

ব্যাখ্যা [০]