লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

দ্বিতীয় শ্রমণ-ব্রাহ্মণ সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, যেই যেই শ্রমণ বা ব্রাহ্মণগণ শ্রদ্ধেন্দ্রিয় জানে না, শ্রদ্ধেন্দ্রিয়ের সমুদয় জানে না, শ্রদ্ধেন্দ্রিয়ের নিরোধ জানে না এবং শ্রদ্ধেন্দ্রিয় নিরোধগামিনী প্রতিপদা জানে না। অনুরূপভাবে বীর্যেন্দ্রিয়, স্মৃতিন্দ্রিয়, সমাধিন্দ্রিয় ও প্রজ্ঞেন্দ্রিয়ের সমুদয়, নিরোধ এবং নিরোধগামিনী প্রতিপদাও জানে না; তাদের আমি শ্রমণ বা ব্রাহ্মণ বলি না। তারা শ্রমণগণের মধ্যে শ্রমণ কিংবা ব্রাহ্মণগণের মধ্যে ব্রাহ্মণ বলে গণ্য হয় না। সেই আয়ুষ্মানগণ শ্রমণ্যার্থ বা শ্রমণ্যফল, ব্রাহ্মণ্যার্থ বা ব্রাহ্মণ্যফল এবং ইহজীবনে স্বয়ং অভিজ্ঞা প্রত্যক্ষ ও লাভ না করে অবস্থান করে।

ভিক্ষুগণ, যেই যেই শ্রমণ বা ব্রাহ্মণগণ শ্রদ্ধেন্দ্রিয় জানে, শ্রদ্ধেন্দ্রিয়ের সমুদয় জানে, শ্রদ্ধেন্দ্রিয়ের নিরোধ জানে এবং শ্রদ্ধেন্দ্রিয় নিরোধগামিনী প্রতিপদা জানে। অনুরূপভাবে বীর্যেন্দ্রিয়, স্মৃতিন্দ্রিয়, সমাধিন্দ্রিয় ও প্রজ্ঞেন্দ্রিয়ের সমুদয়, নিরোধ এবং নিরোধগামিনী প্রতিপদাও জানে; তাদের আমি শ্রমণ বা ব্রাহ্মণ বলি। তারা শ্রমণগণের মধ্যে শ্রমণ কিংবা ব্রাহ্মণগণের মধ্যে ব্রাহ্মণ বলে গণ্য হয়। সেই আয়ুষ্মানগণ শ্রমণ্যার্থ বা শ্রমণ্যফল, ব্রাহ্মণ্যার্থ বা ব্রাহ্মণ্যফল এবং ইহজীবনে স্বয়ং অভিজ্ঞা প্রত্যক্ষ ও লাভ করে অবস্থান করে।” সপ্তম সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]