লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৪]

দ্বিতীয় মহাধন সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, চারটি গুণধর্মে সমন্নাগত আর্যশ্রাবক ‘আঢ্য, মহাধনী ও মহাযশস্বী’-রূপে অভিহিত হয়। সেই চার কী কী? যথা :

এক্ষেত্রে ভিক্ষুগণ, আর্যশ্রাবক বুদ্ধের প্রতি এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ইনি সেই ভগবান, অর্হৎ, সম্যকসম্বুদ্ধ, বিদ্যা-আচরণসম্পন্ন, সুগত, লোকজ্ঞ, অনুত্তর পুরুষ দমনকারী সারথি, দেব-মনুষ্যের শাস্তা ও বুদ্ধ ভগবান।’

পুনশ্চ, ভিক্ষুগণ, সে ধর্মের প্রতিও অবিচলিত শ্রদ্ধাসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ভগবানের ধর্ম সুব্যাখ্যাত, সন্দৃষ্টিক, কালাকাল বিরহিত, এসে দেখার যোগ্য, নির্বাণে উপনয়নকারী এবং বিজ্ঞজন কর্তৃক জ্ঞাতব্য।’

পুনশ্চ, ভিক্ষুগণ, সংঘের প্রতিও সে এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ভগবানের শিষ্যমণ্ডলী সুপথে প্রতিপন্ন, ঋজুপথে প্রতিপন্ন, ন্যায় বা নির্বাণপথে প্রতিপন্ন, সমীচীন পথে প্রতিপন্ন, ভগবানের শ্রাবকসংঘ যুগ্ম হিসাবে চারি যুগ্ম এবং পুদ্গল হিসাবে অষ্ট আর্যপুদ্গলই চারি প্রত্যয় দান-আহুতি লাভের যোগ্য, আতিথেয়তা লাভের যোগ্য,দক্ষিণেয়্য, অঞ্জলি করণীয় এবং জগতের অনুত্তর পুণ্যক্ষেত্র’।

পুনশ্চ, ভিক্ষুগণ, আর্যশ্রাবক আর্যগণের প্রশংসিত অখণ্ড, নিশ্চিদ্র, নিখুঁত, নিষ্কলঙ্ক, বিমুক্তিতে উপনীতকারী, বিজ্ঞ কর্তৃক প্রশংসিত, অদূষিত এবং সমাধি লাভে সহায়ক শীলসমূহে বিভূষিত হয়। ভিক্ষুগণ, এই চারটি গুণধর্মে সমন্নাগত আর্যশ্রাবক ‘আঢ্য, মহাধনী ও মহাযশস্বী’-রূপে অভিহিত হয়।” পঞ্চম সূত্র।

ব্যাখ্যা [০]