লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

দ্বিতীয় সারিপুত্র সূত্র

অতঃপর আয়ুষ্মান সারিপুত্র যেথায় ভগবান আছেন তথায় উপস্থিত হয়ে ভগবানকে অভিবাদনপূর্বক একপাশে বসলেন। একপাশে উপবিষ্ট আয়ুষ্মান সারিপুত্রকে ভগবান এরূপ বললেন :

“হে সারিপুত্র, এই যে, ‘স্রোতাপত্তির অঙ্গ, স্রোতাপত্তির অঙ্গ’ বলা হয়। সেই স্রোতাপত্তির অঙ্গ কীরূপ?”

“ভন্তে, সৎপুরুষের সংসর্গই হচ্ছে স্রোতাপত্তির অঙ্গ। সদ্ধর্ম শ্রবণ, উত্তমরূপে মনোনিবেশ করা এবং ধর্মানুধর্ম আচরণ করাও স্রোতাপত্তির অঙ্গ।”

“সাধু, সাধু সারিপুত্র, সৎপুরুষের সংসর্গই হচ্ছে স্রোতাপত্তির অঙ্গ। সদ্ধর্ম শ্রবণ, উত্তমরূপে মনোনিবেশ করা এবং ধর্মানুধর্ম আচরণ করাও স্রোতাপত্তির অঙ্গ।

সারিপুত্র, এই যে, ‘স্রোত, স্রোত’ বলা হয়। সেই স্রোত কীরূপ?”

“ভন্তে, এই আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গই হচ্ছে স্রোত, যেমন :সম্যক দৃষ্টি, সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক আজীব (জীবিকা), সম্যক ব্যায়াম (প্রচেষ্টা), সম্যক স্মৃতি ও সম্যক সমাধি।”

“সাধু, সাধু সারিপুত্র, এই আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গই হচ্ছে স্রোত, যেমন : সম্যক দৃষ্টি, সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক আজীব (জীবিকা), সম্যক ব্যায়াম (প্রচেষ্টা), সম্যক স্মৃতি ও সম্যক সমাধি।

সারিপুত্র, এই যে ‘স্রোতাপন্ন, স্রোতাপন্ন’ বলা হয়। সেই স্রোতাপন্ন কীরূপ?”

“ভন্তে, যে এই আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গের দ্বারা সুসমন্নাগত তাকেই স্রোতাপন্ন বলা হয় এবং সেই আয়ুষ্মান এই নাম ও এই গোত্রেই অভিহিত হয়।”

“সাধু, সাধু সারিপুত্র, যে এই আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গের দ্বারা সুসমন্নাগত তাকেই স্রোতাপন্ন বলা হয় এবং সেই আয়ুষ্মান এই নাম ও এই গোত্রেই অভিহিত হয়।” পঞ্চম সূত্র।

ব্যাখ্যা [০]