লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৪]

তির্যক-মনুষ্য নরকাদি সূত্র

অতঃপর ভগবান সামান্য পরিমাণে নখাগ্রে ময়লা নিয়ে ভিক্ষুদের সম্বোধন করে বললেন :

“হে ভিক্ষুগণ, আমার নখাগ্রের এই ময়লা অধিক নাকি এই মহাপৃথিবী অধিক বলে মনে কর?”

“ভন্তে, মহাপৃথিবীই বিশাল, আর ভগবানের নখাগ্রের ময়লা অতি অল্পমাত্র। মহাপৃথিবীর তুলনায় নখাগ্রের ময়লা গণনার মধ্যেও পড়ে না, পরস্পর তুলনীয়ও নয় এবং সেই নখাগ্রের ময়লা মহাপৃথিবীর ষোলো ভাগের এক ভাগও হয় না।”

“এরূপেই ভিক্ষুগণ, অল্পমাত্র সত্ত্বগণই তির্যককুল হতে চ্যুত হয়ে মনুষ্য লোকে জন্মধারণ করছে; অধিকন্তু তির্যককুল হতে চ্যুত হয়ে পুনঃ নরকে, তির্যককুলে এবং প্রেতকুলে উৎপন্নশীল সত্ত্বগণের সংখ্যাই বেশি। তার কারণ কী? চারি আর্যসত্য অদর্শনই তার কারণ। সেই চারি কী কী? যথা : ‘ইহা দুঃখ’ ‘ইহা দুঃখ-সমুদয়’, ‘ইহা দুঃখ-নিরোধ’ এবং ‘ইহা দুঃখ-নিরোধকর উপায়’।

তদ্ধেতু ভিক্ষুগণ, ‘ইহা দুঃখ’ এরূপে অবগত হওয়ার জন্য তোমাদের প্রচেষ্টা করা উচিত, ‘ইহা দুঃখ-সমুদয়’, ‘ইহা দুঃখের নিরোধ’, ‘ইহা দুঃখ-নিরোধের প্রতিপদা বা উপায়’ এরূপে অবগত হওয়ার জন্য তোমাদের প্রচেষ্টা করা উচিত।” একুশতম সূত্র।

ব্যাখ্যা [০]