লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [২০]

শতবর্ষ সূত্র

“যেমন ভিক্ষুগণ, শতবর্ষীয়ান, শতবর্ষজীবি কোনো ব্যক্তিকে যদি কেউ এরূপ বলে-‘দেখুন মহাশয়, পূর্বাহ্ণ, মধ্যাহ্ন এমনকি সায়াহ্ন সময়েও আপনাকে শত বল্লম বা শেল দিয়ে তারা আঘাত করবে। আর দিনে তিন বার তিনশত বল্লমের দ্বারা আঘাত প্রাপ্ত হয়েও আপনি শতায়ু হবেন,শতবর্ষজীবী হবেন এবং শতবর্ষ পর আপনি অনুপলব্ধ চারি আর্যসত্য উপলব্ধি করতে পারবেন।’ তাহলে ভিক্ষুগণ, কোনো সুবুদ্ধিসম্পন্ন কুলপুত্র এই উপায় বা আঘাত পন্থাই গ্রহণ করবে। কেন? কারণ ভিক্ষুগণ, এই সংসারের আদি অচিন্ত্যনীয়। পূর্বজন্মে কত যে শেল-তরবারি-তীর বা কুঠারের আঘাত সকলের পেতে হয়েছে তা অবর্ণনীয়। যদি কারও ক্ষেত্রে এরূপ দুঃখ-যাতনা পেয়েও চারি আর্যসত্যের উপলব্ধি ঘটে, তবে তা সুখ, সৌমনস্যকর বলেই আমি বলছি। জন্মান্তরীণ অবর্ণনীয় দুঃখের চেয়ে সেরূপ মাত্র এক জীবনে দুঃখ-যাতনা পেয়েও চারি আর্যসত্যের উপলব্ধি দুঃখ-দৌর্মনস্যকর নয়। সেই চারি আর্যসত্য কী কী? যথা : দুঃখ আর্যসত্য, দুঃখ-সমুদয় আর্যসত্য, দুঃখ-নিরোধ আর্যসত্য এবং দুঃখ-নিরোধগামী প্রতিপদা আর্যসত্য।

তদ্ধেতু,ভিক্ষুগণ, ‘ইহা দুঃখ’ এরূপে অবগত হওয়ার জন্য তোমাদের প্রচেষ্টা করা উচিত, ‘ইহা দুঃখ-সমুদয়’, ‘ইহা দুঃখের নিরোধ’, ‘ইহা দুঃখ-নিরোধের প্রতিপদা বা উপায়’ এরূপে অবগত হওয়ার জন্য তোমাদের প্রচেষ্টা করা উচিত।” পঞ্চম সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]