লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৮]

প্রাণী সূত্র

“যেমন,ভিক্ষুগণ, যদি কোনো ব্যক্তি এই জম্বুদ্বীপের সমস্ত তৃণ, কাষ্ঠ ও শাখা-পত্রাদি কেটে একস্থানেএকত্রিত করে শূলে গেঁথে রাখে। তারপর মহাসমুদ্রের বিশাল সব প্রাণী ধরে বিশাল বিশাল শূলে গেঁথে রাখে; মধ্যম আকৃতির সব প্রাণী ধরে মধ্যম মধ্যম শূলে গেঁথে রাখে; এবং ছোট ছোট সব প্রাণী ধরে ছোট ছোট শূলে গেঁথে রাখে। কিন্তু তবুও মহাসমুদ্রের অনেক প্রাণী বাদ থেকে যায়। এই জম্বুদ্বীপের সকল তৃণ, কাষ্ঠ ও শাখা-পত্রাদি বিনষ্ট ও নিঃশেষিত হয়ে গেলেও এর চেয়ে বহুগুণ বেশি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণী মহাসমুদ্রে রয়েছে, যেগুলো শূলে বিদ্ধ করে গেঁথে রাখা সহজ-সাধ্য নয়। তার কারণ কী? সেসব প্রাণীর সূক্ষ্ম শরীরই তার কারণ। এরূপই,ভিক্ষুগণ, মহা-অপায়। ভিক্ষুগণ, এরূপ মহা-অপায় হতে বিমুক্ত, দৃষ্টিসম্পন্ন বা স্রোতাপন্ন ব্যক্তি ‘ইহা দুঃখ’ এরূপে যথাভূত বিষয় জ্ঞাত হয়; ‘ইহা দুঃখ-সমুদয়’, ‘ইহা দুঃখের নিরোধ’, ‘ইহা দুঃখ-নিরোধের প্রতিপদা বা উপায়’ এরূপে যথাভূত বিষয় জ্ঞাত হয়।

তদ্ধেতু ভিক্ষুগণ, ‘ইহা দুঃখ’ এরূপে অবগত হওয়ার জন্য তোমাদের প্রচেষ্টা করা উচিত, ‘ইহা দুঃখ-সমুদয়’, ‘ইহা দুঃখের নিরোধ’, ‘ইহা দুঃখ-নিরোধের প্রতিপদা বা উপায়’ এরূপে অবগত হওয়ার জন্য তোমাদের প্রচেষ্টা করা উচিত।” ষষ্ঠ সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]