লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৫]

প্রথম প্রবাহিত সূত্র

“যেমন, ভিক্ষুগণ, গঙ্গা, যমুনা, অচিরবতী, সরভূ ও মহানদীসমূহ যেখানে এসে মিলিত হয়, সেই মোহনা হতে কোনো ব্যক্তি দু-তিন ফোঁটা জলবিন্দু তুলে নিল। তাহলে ভিক্ষুগণ, সেই দু-তিন ফোঁটা জলবিন্দু নাকি একত্রে মোহনায় মিলিত জলরাশি বেশি বলে মনে কর?”

“ভন্তে, একত্রে মোহনায় মিলিত জলরাশিই বিশাল, আর সেই দু-তিন ফোঁটা জল অতি অল্পমাত্র। মোহনায় মিলিত জলরাশির তুলনায় দু-তিন ফোঁটা জল গণনার মধ্যেও পড়ে না, পরস্পর তুলনীয়ও নয় এবং সেই দু-তিন ফোঁটা জল একত্রে মোহনায় মিলিত জলরাশির ষোলো ভাগের এক ভাগও হয় না।”

“এরূপেই ভিক্ষুগণ, একজন দৃষ্টিসম্পন্ন, অন্তর্দৃষ্টির অধিকারী আর্যশ্রাবকের বহুতর দুঃখ পরিক্ষীণ ও নিঃশেষিত হয়, অল্পমাত্রই অবশিষ্ট থাকে। পূর্বে পরিক্ষীণ ও নিঃশেষিত দুঃখের তুলনায় সপ্তবার পরমতা (স্রোতাপন্নতা) গণনার মধ্যেও পড়ে না, পরস্পর তুলনীয়ও নয় এবং সপ্তবার পরমতা পূর্বে পরিক্ষীণ ও নিঃশেষিত দুঃখসমূহের ষোলো ভাগের একভাগও হয় না আর সেই সপ্তবার পরমতা হচ্ছে ‘ইহা দুঃখ’, ‘ইহা দুঃখ-সমুদয়’, ‘ইহা দুঃখ-নিরোধকর উপায়’-সে এরূপে যথাভূতভাবে জ্ঞাত হয়।

তদ্ধেতু ভিক্ষুগণ,‘ইহা দুঃখ’ এরূপে অবগত হওয়ার জন্য তোমাদের প্রচেষ্টা করা উচিত, ‘ইহা দুঃখ-সমুদয়’, ‘ইহা দুঃখের নিরোধ’, ‘ইহা দুঃখ-নিরোধের প্রতিপদা বা উপায়’ এরূপে অবগত হওয়ার জন্য তোমাদের প্রচেষ্টা করা উচিত।” তৃতীয় সূত্র।

ব্যাখ্যা [০]