লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [২০]

চিন্তা সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, এমন পাপ-অকুশল চিত্ত উৎপাদন কর না; যথা : ‘জগৎ শাশ্বত’, অথবা ‘জগৎ অশাশ্বত’; ‘জগৎ সান্ত (বা সীমাবদ্ধ)’, অথবা ‘জগৎ অনন্ত’; ‘যেই জীব সেই শরীর’ অথবা ‘জীব অন্য আর শরীর অন্য’; ‘তথাগত মৃত্যুর পর বিদ্যমান থাকেন’ কিংবা ‘তথাগত মৃত্যুর পর বিদ্যমান থাকেন না’; ‘তথাগত মৃত্যুর পর বিদ্যমান থাকেন আবার থাকেনও না’ কিংবা ‘তথাগত মৃত্যুর পর বিদ্যমান থাকেন না আবার না থাকেন তা-ও নয়’। তার কারণ কী? কেননা, ভিক্ষুগণ, সেরূপ চিন্তা অর্থসংহিত বা মঙ্গলজনক নয়; তা ব্রহ্মচর্য সূচিত করে না; এবং নির্বেদ, বিরাগ, নিরোধ, উপশম, অভিজ্ঞা, সম্বোধি ও নির্বাণ লাভের জন্য চালিত করে না।

ভিক্ষুগণ, বিতর্ক করতে হলে তোমরা ‘ইহা দুঃখ’ এরূপে বিতর্ক বা চিন্তা কর; ‘ইহা দুঃখ-সমুদয়’, ‘ইহা দুঃখ-নিরোধ’, ‘ইহা দুঃখ-নিরোধগামী প্রতিপদা’ এরূপ চিন্তা কর। তার কারণ কী? কেননা, ভিক্ষুগণ, এরূপ চিন্তা মঙ্গলজনক; তা ব্রহ্মচর্য সূচিত করে; এবং নির্বেদ, বিরাগ, নিরোধ, উপশম, অভিজ্ঞা, সম্বোধি ও নির্বাণ লাভের জন্য চালিত করে।

তদ্ধেতু, ভিক্ষুগণ, ‘ইহা দুঃখ’ এরূপে অবগত হওয়ার জন্য তোমাদের প্রচেষ্টা করা উচিত, ‘ইহা দুঃখ-সমুদয়’, ‘ইহা দুঃখের নিরোধ’, ‘ইহা দুঃখ-নিরোধের প্রতিপদা বা উপায়’ এরূপে অবগত হওয়ার জন্য তোমাদের প্রচেষ্টা করা উচিত।” অষ্টম সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]