লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৯]

আনন্দ সূত্র

একসময় আয়ুষ্মান আনন্দ শ্রাবস্তীর জেতবনে অনাথপিণ্ডিকের নির্মিত বিহারে অবস্থান করছেন। তখন আয়ুষ্মান আনন্দ পূর্বাহ্ণে চীবর পরিধান করে, পাত্র-চীবর গ্রহণ করে শ্রাবস্তীতে ভিক্ষা���্থে প্রবেশ করলেন পেছনে আয়ুষ্মান বঙ্গীসকে সাথে নিয়ে। অনন্তর সে-সময়ে আয়ুষ্মান বঙ্গীসের মনে অনভিরতি উৎপন্ন হলো। কামনা তাঁর মনকে অভিভূত করল। তিনি আয়ুষ্মান আনন্দকে গাথায় বললেন :

‘হে গৌতমশিষ্য, আমি কামরাগে দগ্ধ হচ্ছি, আমার চিত্ত দগ্ধ হচ্ছে, অনুকম্পা করে তা নিভানোর উত্তম উপায় বলুন।’

‘(অশুচি দেহের প্রতি) ধারণার বিপর্যয়ে বা সঠিক ধারণার অভাবে তোমার চিত্ত দগ্ধ হচ্ছে। কামরাগযুক্ত শুভনিমিত্ত পরিত্যাগ কর।’

‘সংস্কারকে নিজের বলে দেখো না, এটি দুঃখ ও পর বলে দর্শন করো, মহারাগ নির্বাপন কর, বারবার দগ্ধ হয়ো না।’

‘অশুভ চিন্তায় চিত্তকে ভাবিত কর, একাগ্র কর, সমাহিত কর। কায়গতাস্মৃতি তোমার মাঝে বিরাজ করুক, বৈরাগ্যবহুল হও।’

‘অনিমিত্ত ভাবনা কর, মানানুশয় উৎপাটন কর তখনই তুমি মান জয় করে উপশান্ত হয়ে বিচরণ করবে।’

ব্যাখ্যা [১]