লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

সারিপুত্র সূত্র

একসময় আয়ুষ্মান সারিপুত্র শ্রাবস্তীতে অনাথপিণ্ডিক নির্মিত জেতবন বিহারে অবস্থান করছেন। সেই সময়ে আয়ুষ্মান সারিপুত্র ভিক্ষুগণকে মধুর বচনে, স্পষ্ট স্বরে অর্থব্যঞ্জক ধর্মকথায় উপদেশ দিচ্ছিলেন, প্রণোদিত করছিলেন, উৎসাহিত করছিলেন, আনন্দিত করছিলেন। সে ভিক্ষুগণও মনোযোগসহকারে, তন্ময় হয়ে, একাগ্রচিত্তে, উৎকর্ণ হয়ে ধর্মশ্রবণ করছিলেন। অনন্তর আয়ুষ্মান বঙ্গীসের মনে এই ভাবনার উদয় হলো : ‘এই আয়ুষ্মান সারিপুত্র ভিক্ষুদেরকে মধুর বচনে, স্পষ্ট স্বরে অর্থব্যঞ্জক ধর্মকথায় উপদেশ দিচ্ছেন, প্রণোদিত করছেন, উৎসাহিত করছেন, আনন্দিত করছেন। ভিক্ষুগণও মনোযোগসহকারে, তন্ময় হয়ে তা শ্রবণ করছেন। আমি অবশ্যই আয়ুষ্মান সারিপুত্রকে উপযুক্ত গাথার মাধ্যমে সামনাসামনিই প্রশংসা করব।’

তখন আয়ুষ্মান বঙ্গীস আসন হতে উঠলেন এবং উত্তরীয় বস্ত্র একাংশ করে আয়ুষ্মান সারিপুত্রকে করজোড়ে প্রণাম করে এরূপ বললেন, ‘আবুসো সারিপুত্র, আমার প্রতিভাত হচ্ছে।’ ‘আবুসো বঙ্গীস, তোমার প্রতিভাত হোক।’ তখন আয়ুষ্মান বঙ্গীস আয়ুষ্মান সারিপুত্রকে সামনাসামনিই উপযুক্ত গাথার মাধ্যমে প্রশংসা করতে লাগলেন :

‘গম্ভীর প্রাজ্ঞ, মেধাবী, মার্গামার্গবিদ, মহাপ্রাজ্ঞ সারিপুত্র ভিক্ষুগণকে ধর্মদেশনা প্রদান করছেন।’

‘তিনি সংক্ষিপ্তভাবেও দেশনা করেন, বিস্তারিতভাবেও দেশনা করেন। তাঁর কণ্ঠধ্বনি শালিকের (কুজনের) মতো (মধুর)। (তাতে) প্রতিভা প্রকাশ পায়।’

‘মনোজ্ঞ, সুমধুর, সুন্দর স্বরে দেশনা করার সময় তাঁর মধুর বচন ভিক্ষুগণ একাগ্রচিত্তে আনন্দিত মনে উৎকর্ণ হয়ে (কান খাড়া করে) শুনছেন।’

ব্যাখ্যা [১]