লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৪]

শ্রামণের সূত্র

“ভন্তে, কত প্রকার ধর্মে সুসমৃদ্ধ ভিক্ষুর শ্রামণেরকে অনুকম্পা করা কর্তব্য?”

“হে উপালি, দশ প্রকার ধর্মে সুসমৃদ্ধ ভিক্ষুরই শ্রামণেরকে অনুকম্পা করা কর্তব্য। সেই দশ প্রকার কী কী? এক্ষেত্রে উপালি, ভিক্ষু শীলবান হয়, প্রাতিমোক্ষশীলসম্পন্ন, আচারগোচরশীল ও অণুমাত্র অপরাধে ভয়দর্শী হয়ে অবস্থান করে এবং শিক্ষাপদসমূহ শিক্ষা করে; যে-সকল ধর্ম আদিতে কল্যাণ, মধ্যে কল্যাণ, পর্যবসানে কল্যাণ, সার্থক, সব্যঞ্জক এবং যা পরিপূর্ণ, পরিশুদ্ধ ব্রহ্মচর্য প্রকাশ করে সেরূপ ধর্মে বহুশ্রুত, শ্রুতধর এবং শ্রুতসঞ্চয়ী হয় এবং সেরূপ ধর্মে বহুশ্রুত হয়ে তা বাক্যে, মন ও দৃষ্টিতে উত্তমরূপে মনে রাখে; সুবিভক্ত, সুবিন্যস্ত অনুব্যঞ্জনসহ সূত্রে নিশ্চিতকৃত ভিক্ষু-প্রাতিমোক্ষ ও ভিক্ষুণী-প্রাতিমোক্ষ এই উভয়বিধ প্রাতিমোক্ষ বিস্তৃতভাবে হৃদয়ঙ্গম করে; পীড়িত বা রোগীকে পরিচর্যা করতে সক্ষম হয়; (ব্রহ্মচর্য) অনভিরতি বর্জন করতে ও বর্জন করাতে সক্ষম হয়, উৎপন্ন দ্বিধা বা উদ্বেগ ধর্মত অপনোদন করাতে সক্ষম হয়, উৎপন্ন মিথ্যাদৃষ্টি বা ধারণা ধর্মত বিবেচনা করাতে সক্ষম হয়; অধিশীল হৃদয়ঙ্গম করাতে সক্ষম হয়, অধিচিত্তসম্পন্ন করাতে এবং অধিপ্রজ্ঞা হৃদয়ঙ্গম করাতে সক্ষম হয়। উপালি, এই দশবিধ ধর্মে সুসমন্বিত ভিক্ষুরই শ্রামণেরকে অনুকম্পা করা কর্তব্য।” ষষ্ঠ সূত্র।

ব্যাখ্যা [০]