“হে ভিক্ষুগণ, জগতে চার প্রকার পুদ্গল বিদ্যমান। সেই চার প্রকার কী কী? যথা : আত্মহিতে তৎপর, কিন্তু পরহিতে তৎপর নয়; আত্মহিতে তৎপর নয়, কিন্তু পরহিতে তৎপর; আত্মহিতেও তৎপর নয়, পরহিতেও তৎপর নয়; আত্মহিতেও তৎপর, পরহিতেও তৎপর।
কিরূপ পুদ্গল আত্মহিতে তৎপর, কিন্তু পরহিতে তৎপর নয়? এ জগতে কোনো পুদ্গল কুশলধর্মসমূহে সত্বর মনোযোগী হয় এবং শ্রুত ধর্মেও হৃদয়ঙ্গমকারী হয়; ধারণকৃত ধর্মসমূহের অর্থ অনুসন্ধানে রত হয় এবং অর্থ ও বিষয় জ্ঞাত হয়ে ধর্মানুধর্মে প্রতিপন্ন হয়। কিন্তু সুন্দর, শ্রুতিমধুর, উপমা দ্বারা প্রাঞ্জল এবং বিশুদ্ধভাবে অর্থের ব্যাখ্যা করে সব্রহ্মচারীদের জ্ঞাপন, জ্ঞাত, উৎসাহ প্রদান, পরিতৃপ্ত করে না। এরূপ পুদ্গল আত্মহিতে তৎপর, কিন্তু পরহিতে তৎপর নয়।
কিরূপ পুদ্গল পরহিতে তৎপর, কিন্তু আত্মহিতে তৎপর নয়? এ জগতে কোনো পুদ্গল কুশলধর্মসমূহে সত্বর মনোযোগী হয় না এবং শ্রুত ধর্মের হৃদয়ঙ্গমকারী হয় না; ধারণকৃত ধর্মসমূহের অর্থ অনুসন্ধানে রত হয় না এবং অর্থ ও বিষয় জ্ঞাত না হয়ে ধর্মানুধর্মে প্রতিপন্ন হয় না। কিন্তু সুন্দর, শ্রুতিমধুর, উপমা দ্বারা প্রাঞ্জল এবং বিশুদ্ধভাবে অর্থের ব্যাখ্যা করে সব্রহ্মচারীদের জ্ঞাপন, জ্ঞাত, উৎসাহ প্রদান, পরিতৃপ্ত করে। এরূপ পুদ্গল পরহিতে তৎপর, কিন্তু আত্মহিতে তৎপর নয়।
কিরূপ পুদ্গল আত্মহিতেও তৎপর নয়, পরহিতেও তৎপর নয়? এ জগতে কোনো পুদ্গল কুশলধর্মসমূহে সত্বর মনোযোগী হয় না এবং শ্রুত ধর্মের হৃদয়ঙ্গমকারী হয় না; ধারণকৃত ধর্মসমূহের অর্থ অনুসন্ধানে রত হয় না এবং অর্থ ও বিষয় জ্ঞাত না হয়ে ধর্মানুধর্মে প্রতিপন্ন হয় না। আর সুন্দর, শ্রুতিমধুর, উপমা দ্বারা প্রাঞ্জল এবং বিশুদ্ধভাবে অর্থের ব্যাখ্যা করে সব্রহ্মচারীদের জ্ঞাপন, জ্ঞাত, উৎসাহ প্রদান, পরিতৃপ্ত করে না। এরূপ পুদ্গল আত্মহিতেও তৎপর নয়, পরহিতেও তৎপর নয়।
কিরূপ পুদ্গল আত্মহিতেও তৎপর, পরহিতেও তৎপর? এ জগতে কোনো পুদ্গল কুশলধর্মসমূহে সত্বর মনোযোগী হয় এবং শ্রুত ধর্মের হৃদয়ঙ্গমকারী হয়; ধারণকৃত ধর্মসমূহের অর্থ অনুসন্ধানে রত হয় এবং অর্থ ও বিষয় জ্ঞাত হয়ে ধর্মানুধর্মে প্রতিপন্ন হয়। আর সুন্দর, শ্রুতিমধুর, উপমা দ্বারা প্রাঞ্জল এবং বিশুদ্ধভাবে অর্থের ব্যাখ্যা করে সব্রহ্মচারীদের জ্ঞাপন, জ্ঞাত, উৎসাহ প্রদান, পরিতৃপ্ত করে। এরূপ পুদ্গল আত্মহিতেও তৎপর, পরহিতেও তৎপর। এই চার প্রকার পুদ্গল জগতে বিদ্যমান।” (সপ্তম সূত্র)
ব্যাখ্যা [০]