লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৩]

উপদেশ সূত্র

একসময় ভগবান বৈশালীর মহাবনে কূটাগারশালায় অবস্থান করছিলেন। আয়ুষ্মান আনন্দ সে সময়ে ভগবান সমীপে উপস্থিত হন, উপস্থিত হয়ে ভগবানকে অভিবাদন করে এক প্রান্তে উপবেশন করেন। এক প্রান্তে উপবিষ্ট শ্রদ্ধেয় আনন্দ ভগবানকে বলেন, “প্রভু, ভিক্ষুণীদের আধ্যাত্মিক উপদেশক হিসাবে বিবেচিত হতে হলে একজন ভিক্ষুকে কী কী গুণের অধিকারী হতে হয়?” “আনন্দ, ভিক্ষুণীদের আধ্যাত্মিক উপদেশক হতে হলে একজন ভিক্ষুকে আটটি গুণের অধিকারী হতে হয়। আটটি গুণ কী কী?

আনন্দ, এক্ষেত্রে ভিক্ষু শীলবান হয়… সে শিক্ষাপদসমূহ গ্রহণ এবং শিক্ষা করে। সে বহুশ্রুত হয়… সে ধর্মীয় মতবাদ পুরোপুরি উপলব্ধি করেছে। উভয় প্রকার প্রাতিমোক্ষ তার বিস্তৃতভাবে হৃদয়ঙ্গম হয়, যা সুবিভক্ত, সুবিন্যস্ত, অনুব্যঞ্জনসহ সূত্রে নিশ্চিতকৃত। সে হয় মধুরকণ্ঠী, বর্ণনা হয় উত্তম, তার উক্তি হয় শহুরে, স্পষ্ট, কর্কশতা বিবর্জিত এবং তথ্যবহুল। সে ভিক্ষুণী সংঘকে ধর্মীয় উপদেশ প্রদানে, উদ্দীপনা সৃষ্টিতে, তাদের জাগৃতিতে, তাদের উলৱাসিত করতে সক্ষম। সাধারণত সে হয় ভিক্ষুণীদের প্রিয় এবং মনোজ্ঞ। ভগবানের উদ্দেশ্যে প্রব্রজ্যা গ্রহণ ও কাষায় বস্ত্রে দেহ আচ্ছাদনের পূর্বে সে কোনো মারাত্মক দোষে দুষ্ট ছিল না। সে বিশ বা ততোধিক বয়সে প্রব্রজিত।

আনন্দ, একজন ভিক্ষুণী উপদেশক ভিক্ষুকে এই অষ্টবিধ গুণাবলি অবশ্যই অর্জন করতে হবে।”

ব্যাখ্যা [০]