লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

অন্ত সূত্র

শ্রাবস্তীতে উৎপত্তি :

“হে ভিক্ষুগণ, এই হলো চারি অন্ত। কোন চারি? সৎকায় অন্ত, সৎকায়-সমুদয় অন্ত, সৎকায়-নিরোধ অন্ত, সৎকায়-নিরোধগামী প্রতিপদা অন্ত। হে ভিক্ষুগণ, সৎকায় অন্ত কিরূপ? পঞ্চ উপাদানস্কন্ধকে এরূপ বলা হয়। কিরূপ এই পঞ্চ? যেমন-রূপ-উপাদানস্কন্ধ, বেদনা-উপাদানস্কন্ধ, সংজ্ঞা-উপাদানস্কন্ধ, সংস্কার-উপাদানস্কন্ধ, বিজ্ঞান-উপাদানস্কন্ধ। হে ভিক্ষুগণ, একেই বলা হয় সৎকায় অন্ত।”

“হে ভিক্ষুগণ, সৎকায়-সমুদয় অন্ত কিরূপ? যা তৃষ্ণা পুনর্জন্মদায়ী নন্দীরাগসহগত সেই সেই বিষয়ের অভিনন্দনকারিণী; যেমন : কামতৃষ্ণা, ভবতৃষ্ণা ও বিভবতৃষ্ণা। হে ভিক্ষুগণ, একেই বলা হয় সৎকায়-সমুদয় অন্ত।”

“হে ভিক্ষুগণ, সৎকায়-নিরোধ অন্ত কিরূপ? যা সেই সেই তৃষ্ণার অশেষ বিরাগ, নিরোধ, ত্যাগ, বিসর্জন, মুক্তি। হে ভিক্ষুগণ, একেই বলা হয় সৎকায়-নিরোধ অন্ত।”

“হে ভিক্ষুগণ, সৎকায়-নিরোধগামী প্রতিপদা অন্ত কিরূপ? এই হলো আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ। যেমন : সম্যক দৃষ্টি, সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক আজীব, সম্যক প্রচেষ্টা, সম্যক স্মৃতি, সম্যক সমাধি। হে ভিক্ষুগণ, একেই বলা হয় সৎকায়-নিরোধগামী প্রতিপদা অন্ত। হে ভিক্ষুগণ, এই হলো চারি অন্ত।” [প্রথম সূত্র]

ব্যাখ্যা [১]