লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৫]

রূপ-অদর্শন সূত্র পঞ্চক

শ্রাবস্তী নিদান :

একপার্শ্বে উপবিষ্ট বচ্ছ গোত্রীয় পরিব্রাজক ভগবানকে এরূপে জিজ্ঞেস করলেন, “ভো গৌতম, কী হেতুতে, কী কারণে ইহজগতে এবম্বিধ অনেক প্রকারের মতবাদ হয় যে, “লোক শাশ্বত, লোক অশাশ্বত…. মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে না বা থাকে না তাও না?”

“হে বচ্ছ, রূপের প্রতি অদর্শন হেতুতে…. রূপ নিরোধগামিনী প্রতিপদার প্রতি অদর্শন হেতুতে…. বেদনার প্রতি অদর্শন হেতুতে…. সংজ্ঞার প্রতি অদর্শন হেতুতে…. সংস্কারের প্রতি অদর্শন হেতুতে…. বিজ্ঞানের প্রতি অদর্শন হেতুতে, বিজ্ঞান সমুদয়ের প্রতি অদর্শন হেতুতে, বিজ্ঞান নিরোধের প্রতি অদর্শন হেতুতে, বিজ্ঞান নিরোধগামিনী প্রতিপদার প্রতি অদর্শন হেতুতে এবম্বিধ অনেক প্রকারের মতবাদ হয় যে, “লোক শাশ্বত, লোক অশাশ্বত, লোক সান্ত, লোক অনন্ত, যেই জীব সেই শরীর, জীব এক শরীর অন্য, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে না, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে বা থাকে না, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে না বা থাকে না তাও না।”

বচ্ছ, এই হেতুতে, এই কারণে এবম্বিধ অনেক প্রকারে মিথ্যামতবাদ হয় যে, “লোক শাশ্বত, লোক অশাশ্বত; লোক সান্ত, লোক অনন্ত; যেই জীব সেই শরীর, জীব এক শরীর অন্য, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে না, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে বা থাকে না, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে না বা থাকে না তাও না।” [দশম সূত্র]

ব্যাখ্যা [১]