লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

দ্বিতীয় যুগল সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, যুগ্ম (যুগল) প্রত্যয়ে বিজ্ঞান উৎপন্ন হয়। ভিক্ষুগণ, কিভাবে যুগ্ম প্রত্যয়ে বিজ্ঞান উৎপন্ন হয়? চক্ষু এবং রূপ হেতু চক্ষু-বিজ্ঞান উৎপন্ন হয়। চক্ষু অনিত্য, পরিবর্তনশীল, অন্যথাভাব বিশিষ্ট (বৈপরীত্য স্বভাব)। রূপ অনিত্য, পরিবর্তনশীল, অন্যথাভাবসম্পন্ন। এভাবে এই যুগ্ম যেহেতু চঞ্চল ও ক্ষণস্থায়ী সেহেতু অনিত্য, পরিবর্তনশীল, অন্যথাভাবসম্পন্ন। চক্ষু-বিজ্ঞান অনিত্য, পরিবর্তনশীল ও অন্যথাভাবসম্পন্ন। যে হেতুতে যে প্রত্যয়ে চক্ষু-বিজ্ঞানের উৎপত্তি হয়, সে হেতুতে সে প্রত্যয়ে তা অনিত্য, পরিবর্তনশীল, অন্যথাভাবসম্পন্ন হয়। হে ভিক্ষুগণ, অনিত্য প্রত্যয়-হেতু উৎপন্ন চক্ষু-বিজ্ঞান কিরূপে নিত্য হবে!”

“হে ভিক্ষুগণ, যা এই তিন ধর্মের সংযোগ, সমাবেশ, মিলন, তাই চক্ষু-সংস্পর্শ, চক্ষু-সংস্পর্শও অনিত্য, পরিবর্তনশীল, অন্যথাভাবসম্পন্ন। যে হেতুতে যে প্রত্যয়ে চক্ষু-সংস্পর্শের উৎপত্তি হয়, সে হেতুতে সে প্রত্যয়ে তা অনিত্য, পরিবর্তনশীল, অন্যথাভাবসম্পন্ন হয়। হে ভিক্ষুগণ, অনিত্য প্রত্যয় হেতু উৎপন্ন চক্ষু-সংস্পর্শ কিরূপে নিত্য হবে! ভিক্ষুগণ, স্পর্শ অনুভূত হয়, স্পর্শ উপলব্ধি হয়, স্পর্শ অবগত হয়। এভাবে এই ধর্মও চঞ্চল এবং ক্ষণস্থায়ী হেতু অনিত্য, পরিবর্তনশীল, অন্যথাভাবসম্পন্ন।” শ্রোত্র, ঘ্রাণ, জিহ্বা, কায় ও মন সম্পর্কেও এইরূপ।

“হে ভিক্ষুগণ, এভাবে যুগ্ম প্রত্যয়ে বিজ্ঞান উৎপন্ন হয়।”

দশম সূত্র সমাপ্ত।

নবম ছন্ন বর্গ সমাপ্ত।

স্মারক গাথা :

প্রলুপ্ত, শূন্য, সংক্ষিপ্ত, ছন্ন, পূর্ণ আর বাহিয়;
দ্বিবিধ আসক্তি উক্ত, যুগ্ম উক্ত অপর দ্বিবিধ।

ব্যাখ্যা [১]