লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

পারঙ্গম সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, এই সপ্ত বোজ্ঝাঙ্গ ভাবিত ও বহুলীকৃত হলে অপর পাড়ে (নির্বাণ পাড়ে) গমনের জন্য সংবর্তিত হয়। সেই সপ্ত কী কী? স্মৃতি-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, ধর্মবিচয়-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, বীর্য-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, প্রীতি-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, প্রশ্রদ্ধি (প্রশান্তি)-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, সমাধি-সম্বোজ্ঝাঙ্গ ও উপেক্ষা-সম্বোজ্ঝাঙ্গ। এই সপ্ত বোজ্ঝাঙ্গ ভাবিত ও বহুলীকৃত হলে অপর পাড়ে (নির্বাণ পাড়ে) গমনের জন্য সংবর্তিত হয়।”

“অল্পমাত্র মানবগণ হয়েছে পারগত,
অন্যসবে এই তীরেতে শুধুই হচ্ছে ধাবিত;
ধর্মাচারী, ধর্মাস্মরী যারা এই জগতে অপার,
তারাই হবে পার মৃত্যুধীন দুস্তর পারাপার।
পাপ ত্যাগে পুণ্য কর হে পণ্ডিত অনুক্ষণ,
বিবেকশূন্য গৃহ ত্যাজ হয়ে প্রাণপণ;
কাম-বাসনা পরিত্যাগে হয়ে অকিঞ্চন,
ইচ্ছুক হয় তথায় সে হতে অভিরমন।
চিত্ত মাঝে যতবিধ ক্লেশমল বিরাজিত,
নিজেকে বিশুদ্ধ করে তা হতে পণ্ডিত সতত।
সম্বোধি অঙ্গে যাদের চিত্ত সুভাবিত,
আসক্তি ত্যাগে অনাসক্তিতে যারা সদা রত;
সেরূপ ক্ষীণাসব আর জ্যোতিষ্মানগণ,
ইহ জগৎ হতে পরিনিবৃত হন।” সপ্তম সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]