লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

ভিক্ষু সূত্র

শ্রাবস্তী নিদান। অতঃপর জনৈক ভিক্ষু ভগবানের নিকট উপস্থিত হয়ে ভগবানকে অভিবাদনপূর্বক একান্তে উপবেশন করলেন। একান্তে উপবিষ্ট সেই ভিক্ষু ভগবানকে এরূপ বললেন, “ভন্তে, এই যে, ‘বোজ্ঝাঙ্গ, বোজ্ঝাঙ্গ’ বলা হয়। কী কারণে ‘বোজ্ঝাঙ্গ’ বলা হয়?”

“হে ভিক্ষু, জ্ঞান লাভে সংবর্তিত হয় বিধায় ‘বোজ্ঝাঙ্গ’ বলা হয়। এক্ষেত্রে ভিক্ষু বিবেক-নিশ্রিত, বিরাগ-নিশ্রিত, নিরোধ-নিশ্রিত ও বিসর্জন-পরিণামী স্মৃতি-সম্বোজ্ঝাঙ্গ ভাবিত করে। অনুরূপভাবে ভিক্ষু বিবেক-নিশ্রিত, বিরাগ-নিশ্রিত, নিরোধ-নিশ্রিত ও বিসর্জন-পরিণামী ধর্মবিচয়-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, বীর্য-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, প্রীতি-সম্বোজ্ঝাঙ্গ, প্রশ্রদ্ধি (প্রশান্তি)-সম্বোজ্ঝাঙ্গ , সমাধি-সম্বোজ্ঝাঙ্গ এবং উপেক্ষা-সম্বোজ্ঝাঙ্গ ভাবিত করে। এই সপ্ত বোজ্ঝাঙ্গ ভাবিত হয়ে তার চিত্ত কামাসব, ভবাসব ও অবিদ্যাসব হতে বিমুক্ত হয়। তার এরূপ জ্ঞান উৎপন্ন হয় যে, ‘আমি বিমুক্তির দ্বারা বিমুক্ত’। ‘জন্ম ক্ষীণ হয়েছে, ব্রহ্মচর্য উদ্‌যাপিত হয়েছে, করণীয় কৃত হয়েছে এবং ইহজীবনে দুঃখমুক্তির জন্য আর অন্য কোনো কর্তব্য নেই’ তা সম্যকরূপে জ্ঞাত হয়। ভিক্ষু, জ্ঞান লাভে সংবর্তিত হয় বিধায়ই ‘বোজ্ঝাঙ্গ’ বলা হয়।” পঞ্চম সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]