লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৮]

প্রথম সরণানি শাক্য সূত্র

কপিলবাস্তু নিদান। সে সময়ে সরণানি শাক্য কালগত হয়েছিলেন। ‘স্রোতাপন্ন, অবিনিপাতধর্মী ও নিয়ত সম্বোধিপরায়ণ’-রূপে ভগবান কর্তৃক তিনি আখ্যাত হলেন। তা শুনে বহু শাক্য একত্রে মিলিত হয়ে অসন্তোষ ভরে বিড়বিড় করতে লাগলেন, মনমরা হলেন এবং এরূপে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করতে লাগলেন যে-“সত্যিই আশ্চর্য! মহাশয়, সত্যিই অদ্ভুত! বর্তমানে কে না স্রোতাপন্ন হতে পারবে! সরণানি শাক্য যখন কালগত হলেন, তখন ভগবান ঘোষণা করলেন যে, সে নাকি ‘স্রোতাপন্ন, অবিনিপাতধর্মী ও নিয়ত সম্বোধিপরায়ণ।’ সরণানি শাক্য তো ছিলেন শিক্ষার প্রতি দুর্বলতা প্রকাশকারী এক মদ্যপী।”

অতঃপর মহানাম শাক্য ভগবানের নিকট উপস্থিত হয়ে ভগবানকে অভিবাদন করে একান্তে বসলেন। একান্তে উপবিষ্ট হয়ে মহানাম শাক্য ভগবানকে এরূপ বললেন :

“ভন্তে, কিছুদিন হলো সরণানি শাক্য কালগত হয়েছেন। ‘স্রোতাপন্ন, অবিনিপাতধর্মী ও নিয়ত সম্বোধিপরায়ণ’-রূপে ভগবান কর্তৃক তিনি আখ্যাত হয়েছিলেন। তা শুনে বহু শাক্য একত্রে মিলিত হয়ে অসন্তোষ ভরে বিড়বিড় করতে লাগলেন, মনমরা হলেন এবং এরূপে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করতে লাগলেন যে-“সত্যিই আশ্চর্য! মহাশয়, সত্যিই অদ্ভুত! বর্তমানে কে না স্রোতাপন্ন হতে পারবে! সরণানি শাক্য যখন কালগত হলেন, তখন ভগবান ঘোষণা করলেন যে সে নাকি ‘স্রোতাপন্ন, অবিনিপাতধর্মী ও নিয়ত সম্বোধিপরায়ণ।’ সরণানি শাক্য তো ছিলেন শিক্ষার প্রতি দুর্বলতা প্রকাশকারী এক মদ্যপী।”

“হে মহানাম, যে দীর্ঘদিন বুদ্ধের শরণাগত, ধর্মের ও সংঘের শরণাগত উপাসক, সে কীরূপে বিনিপাত নরকে যাবে? মহানাম, যদি কেউ যথার্থরূপে ভাষণকালে বলে যে, ‘ইনি দীর্ঘদিন বুদ্ধের শরণাগত, ধর্মের ও সংঘের শরণাগত উপাসক’ তাহলে সরণানি শাক্যের প্রতিই তা যথার্থরূপে বলা চলে। সেই সরণানি শাক্য কীরূপে বিনিপাত নরকে উৎপন্ন হবে!

এক্ষেত্রে মহানাম, কোনো কোনো ব্যক্তি বুদ্ধের প্রতি এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ইনি সেই ভগবান, অর্হৎ, সম্যকসম্বুদ্ধ, বিদ্যা-আচরণসম্পন্ন, সুগত, লোকজ্ঞ, অনুত্তর পুরুষ দমনকারী সারথি, দেব-মনুষ্যের শাস্তা ও বুদ্ধ ভগবান।’ সে ধর্মের প্রতিও অবিচলিত শ্রদ্ধাসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ভগবানের ধর্ম সুব্যাখ্যাত, সন্দৃষ্টিক, কালাকাল বিরহিত, এসে দেখার যোগ্য, নির্বাণে উপনয়নকারী এবং বিজ্ঞজন কর্তৃক জ্ঞাতব্য।’ এবং সংঘের প্রতিও সেই ব্যক্তি এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ভগবানের শিষ্যমণ্ডলী সুপথে প্রতিপন্ন, ঋজুপথে প্রতিপন্ন, ন্যায় বা নির্বাণপথে প্রতিপন্ন, সমীচীন পথে প্রতিপন্ন, ভগবানের শ্রাবকসংঘ যুগ্ম হিসাবে চারি যুগ্ম এবং পুদ্গল হিসাবে অষ্ট আর্যপুদ্গলই চারি প্রত্যয় দান-আহুতি লাভের যোগ্য, আতিথেয়তা লাভের যোগ্য, দক্ষিণেয়্য, অঞ্জলি করণীয় এবং জগতের অনুত্তর পুণ্যক্ষেত্র’; সে হয় তড়িৎ বুদ্ধি ও প্রত্যুৎপন্নমতিসম্পন্ন এবং বিমুক্তিগুণে গুণান্বিত। সে আসবসমূহের ক্ষয়ে অনাসব এবং ইহজীবনে স্বয়ং অভিজ্ঞা দ্বারা চিত্তবিমুক্তি ও প্রজ্ঞাবিমুক্তি উপলব্ধি করে লাভ করে অবস্থান করে। মহানাম, এই ব্যক্তি নরক হতে মুক্ত, তির্যকযোনি, প্রেতলোক এবং অপায়-দুর্গতি তথা বিনিপাত হতেও বিমুক্ত।

এক্ষেত্রে মহানাম, কোনো কোনো ব্যক্তি বুদ্ধের প্রতি এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ইনি সেই ভগবান, অর্হৎ, সম্যকসম্বুদ্ধ, বিদ্যা-আচরণসম্পন্ন, সুগত, লোকজ্ঞ, অনুত্তর পুরুষ দমনকারী সারথি, দেব-মনুষ্যের শাস্তা ও বুদ্ধ ভগবান।’ সে ধর্মের প্রতিও অবিচলিত শ্রদ্ধাসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ভগবানের ধর্ম সুব্যাখ্যাত, সন্দৃষ্টিক, কালাকাল বিরহিত, এসে দেখার যোগ্য, নির্বাণে উপনয়নকারী এবং বিজ্ঞজন কর্তৃক জ্ঞাতব্য।’ এবং সংঘের প্রতিও সেই ব্যক্তি এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ভগবানের শিষ্যমণ্ডলী সুপথে প্রতিপন্ন, ঋজুপথে প্রতিপন্ন, ন্যায় বা নির্বাণপথে প্রতিপন্ন, সমীচীন পথে প্রতিপন্ন, ভগবানের শ্রাবকসংঘ যুগ্ম হিসাবে চারি যুগ্ম এবং পুদ্গল হিসাবে অষ্ট আর্যপুদ্গলই চারি প্রত্যয় দান-আহুতি লাভের যোগ্য, আতিথেয়তা লাভের যোগ্য, দক্ষিণেয়্য, অঞ্জলি করণীয় এবং জগতের অনুত্তর পুণ্যক্ষেত্র’; সে হয় তড়িৎ বুদ্ধি ও প্রত্যুৎপন্নমতিসম্পন্ন কিন্তু বিমুক্তিগুণে গুণান্বিত নয়। সে পঞ্চবিধ নিম্নভাগীয় সংযোজনসমূহ পরিক্ষয় করে উপপাতিকরূপে ব্রহ্মলোকে উৎপন্ন হয়ে সে জগৎ হতে অন্যত্র পুনর্জন্ম লাভ না করে সেখানেই পরিনির্বাণ লাভ করে। মহানাম, এই ব্যক্তিও নরক হতে মুক্ত, তির্যকযোনি, প্রেতলোক এবং অপায়-দুর্গতি তথা বিনিপাত হতেও বিমুক্ত।

এক্ষেত্রে মহানাম, কোনো কোনো ব্যক্তি বুদ্ধের প্রতি এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ইনি সেই ভগবান, অর্হৎ, সম্যকসম্বুদ্ধ, বিদ্যা-আচরণসম্পন্ন, সুগত, লোকজ্ঞ, অনুত্তর পুরুষ দমনকারী সারথি, দেব-মনুষ্যের শাস্তা ও বুদ্ধ ভগবান।’ সে ধর্মের প্রতিও অবিচলিত শ্রদ্ধাসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ভগবানের ধর্ম সুব্যাখ্যাত, সন্দৃষ্টিক, কালাকাল বিরহিত, এসে দেখার যোগ্য, নির্বাণে উপনয়নকারী এবং বিজ্ঞজন কর্তৃক জ্ঞাতব্য।’ এবং সংঘের প্রতিও সেই ব্যক্তি এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ভগবানের শিষ্যমণ্ডলী সুপথে প্রতিপন্ন, ঋজুপথে প্রতিপন্ন, ন্যায় বা নির্বাণপথে প্রতিপন্ন, সমীচীন পথে প্রতিপন্ন, ভগবানের শ্রাবকসংঘ যুগ্ম হিসাবে চারি যুগ্ম এবং পুদ্গল হিসাবে অষ্ট আর্যপুদ্গলই চারি প্রত্যয় দান-আহুতি লাভের যোগ্য, আতিথেয়তা লাভের যোগ্য, দক্ষিণেয়্য, অঞ্জলি করণীয় এবং জগতের অনুত্তর পুণ্যক্ষেত্র’;কিন্তু সে তড়িৎ বুদ্ধি ও প্রত্যুৎপন্নমতিসম্পন্ন হয় না এবং বিমুক্তিগুণেও গুণান্বিত হয় না। সে ত্রিবিধ সংযোজন পরিক্ষয় করে রাগ-দ্বেষ ও মোহের লঘুতা সাধন করে সকৃদাগামী হয়। এবং একবারমাত্র এই জগতে জন্মধারণ করে দুঃখের অন্তসাধন করে। মহানাম, এই ব্যক্তিও নরক হতে মুক্ত, তির্যকযোনি, প্রেতলোক এবং অপায়-দুর্গতি তথা বিনিপাত হতেও বিমুক্ত।

এক্ষেত্রে মহানাম, কোনো কোনো ব্যক্তি বুদ্ধের প্রতি এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ইনি সেই ভগবান, অর্হৎ, সম্যকসম্বুদ্ধ, বিদ্যা-আচরণসম্পন্ন, সুগত, লোকজ্ঞ, অনুত্তর পুরুষ দমনকারী সারথি, দেব-মনুষ্যের শাস্তা ও বুদ্ধ ভগবান।’ সে ধর্মের প্রতিও অবিচলিত শ্রদ্ধাসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ভগবানের ধর্ম সুব্যাখ্যাত, সন্দৃষ্টিক, কালাকাল বিরহিত, এসে দেখার যোগ্য, নির্বাণে উপনয়নকারী এবং বিজ্ঞজন কর্তৃক জ্ঞাতব্য।’ এবং সংঘের প্রতিও সেই ব্যক্তি এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয়; যথা : ‘ভগবানের শিষ্যমণ্ডলী সুপথে প্রতিপন্ন, ঋজুপথে প্রতিপন্ন, ন্যায় বা নির্বাণপথে প্রতিপন্ন, সমীচীন পথে প্রতিপন্ন, ভগবানের শ্রাবকসংঘ যুগ্ম হিসাবে চারি যুগ্ম এবং পুদ্গল হিসাবে অষ্ট আর্যপুদ্গলই চারি প্রত্যয় দান-আহুতি লাভের যোগ্য, আতিথেয়তা লাভের যোগ্য, দক্ষিণেয়্য, অঞ্জলি করণীয় এবং জগতের অনুত্তর পুণ্যক্ষেত্র’;কিন্তু সে তড়িৎবুদ্ধি ও প্রত্যুৎপন্নমতিসম্পন্ন হয় না এবং বিমুক্তিগুণেও গুণান্বিত হয় না। সে ত্রিবিধ সংযোজন পরিক্ষয় করে অবিনিপাতধর্মী, নিয়ত সম্বোধিপরায়ণ, স্রোতাপন্ন হয়। মহানাম, এই ব্যক্তিও নরক হতে মুক্ত, তির্যকযোনি, প্রেতলোক এবং অপায়-দুর্গতি তথা বিনিপাত হতেও বিমুক্ত।

এক্ষেত্রে মহানাম, কোনো কোনো ব্যক্তি বুদ্ধের প্রতি এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয় না;যথা : ‘ইনি সেই ভগবান, অর্হৎ, সম্যকসম্বুদ্ধ, বিদ্যা-আচরণসম্পন্ন, সুগত, লোকজ্ঞ, অনুত্তর পুরুষ দমনকারী সারথি, দেব-মনুষ্যের শাস্তা ও বুদ্ধ ভগবান।’ সে ধর্মের প্রতিও অবিচলিত শ্রদ্ধাসম্পন্ন হয় না; যথা : ‘ভগবানের ধর্ম সুব্যাখ্যাত, সন্দৃষ্টিক, কালাকাল বিরহিত, এসে দেখার যোগ্য, নির্বাণে উপনয়নকারী এবং বিজ্ঞজন কর্তৃক জ্ঞাতব্য।’ এবং সংঘের প্রতিও সেই ব্যক্তি এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয় না; যথা : ‘ভগবানের শিষ্যমণ্ডলী সুপথে প্রতিপন্ন, ঋজুপথে প্রতিপন্ন, ন্যায় বা নির্বাণপথে প্রতিপন্ন, সমীচীন পথে প্রতিপন্ন, ভগবানের শ্রাবকসংঘ যুগ্ম হিসাবে চারি যুগ্ম এবং পুদ্গল হিসাবে অষ্ট আর্যপুদ্গলই চারি প্রত্যয় দান-আহুতি লাভের যোগ্য, আতিথেয়তা লাভের যোগ্য, দক্ষিণেয়্য, অঞ্জলি করণীয় এবং জগতের অনুত্তর পুণ্যক্ষেত্র’; এবং সে তড়িৎ বুদ্ধি ও প্রত্যুৎপন্নমতিসম্পন্ন হয় না এবং বিমুক্তিগুণেও গুণান্বিত হয় না। কিন্তু তার নিকট শ্রদ্ধা-ইন্দ্রিয়, স্মৃতি-ইন্দ্রিয়, সমাধি-ইন্দ্রিয় ও প্রজ্ঞা-ইন্দ্রিয় বিদ্যমান থাকে। সে তথাগত প্রবর্তিত ধর্মদেশনাদি মাত্র প্রজ্ঞা দ্বারা উপলব্ধি করে অনুমোদন করে। মহানাম, এই ব্যক্তিও নরকে গমন করে না, তির্যকযোনি, প্রেতলোক এবং অপায়-দুর্গতি তথা বিনিপাতেও গমন করে না।

এক্ষেত্রে মহানাম, কোনো কোনো ব্যক্তি বুদ্ধের প্রতি এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয় না; যথা : ‘ইনি সেই ভগবান, অর্হৎ, সম্যকসম্বুদ্ধ, বিদ্যা-আচরণসম্পন্ন, সুগত, লোকজ্ঞ, অনুত্তর পুরুষ দমনকারী সারথি, দেব-মনুষ্যের শাস্তা ও বুদ্ধ ভগবান।’ সে ধর্মের প্রতিও অবিচলিত শ্রদ্ধাসম্পন্ন হয় না; যথা : ‘ভগবানের ধর্ম সুব্যাখ্যাত, সন্দৃষ্টিক, কালাকাল বিরহিত, এসে দেখার যোগ্য, নির্বাণে উপনয়নকারী এবং বিজ্ঞজন কর্তৃক জ্ঞাতব্য।’ এবং সংঘের প্রতিও সেই ব্যক্তি এরূপে অবিচলিত প্রসাদসম্পন্ন হয় না; যথা : ‘ভগবানের শিষ্যমণ্ডলী সুপথে প্রতিপন্ন, ঋজুপথে প্রতিপন্ন, ন্যায় বা নির্বাণপথে প্রতিপন্ন, সমীচীন পথে প্রতিপন্ন, ভগবানের শ্রাবকসংঘ যুগ্ম হিসাবে চারি যুগ্ম এবং পুদ্গল হিসাবে অষ্ট আর্যপুদ্গলই চারি প্রত্যয় দান-আহুতি লাভের যোগ্য, আতিথেয়তা লাভের যোগ্য, দক্ষিণেয়্য, অঞ্জলি করণীয় এবং জগতের অনুত্তর পুণ্যক্ষেত্র’; এবং সে তড়িৎ বুদ্ধি ও প্রত্যুৎপন্নমতিসম্পন্ন হয় না এবং বিমুক্তিগুণেও গুণান্বিত হয় না। কিন্তু তার নিকট শ্রদ্ধা-ইন্দ্রিয়, স্মৃতি-ইন্দ্রিয়, সমাধি-ইন্দ্রিয় ও প্রজ্ঞা-ইন্দ্রিয় বিদ্যমান থাকে। তথাগতের প্রতি তার শুধু শ্রদ্ধা ও প্রেম মাত্রই বিদ্যমান। মহানাম, এই ব্যক্তিও নরকে গমন করে না, তির্যকযোনি, প্রেতলোক এবং অপায়-দুর্গতি তথা বিনিপাতেও গমন করে না।

মহানাম, এই মহাশাল বৃক্ষসমূহ যদি সুভাষণ ও দুর্ভাষণ সম্পর্কে জ্ঞাত থাকতো তবে মহাশাল বৃক্ষ সম্পর্কেও আমি বলতাম যে, ‘এরা স্রোতাপন্ন, অবিনিপাতধর্মী ও নিয়ত সম্বোধিপরায়ণ।’ তাহলে সরণানি শাক্য সম্পর্কে কেন অন্যথা হবে! মহানাম, সরণানি শাক্য মরণকালে ত্রিবিধ শিক্ষা পূর্ণ করেছিল। চতুর্থ সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]